Voice of Eastern India

Dev : ২১-এর মঞ্চে ‘পাগলু ডান্স’ ! মমতার মঞ্চ থেকে কেন উধাও ‘গায়ক দেব’ ? তবে কী ক্ষমতা নেই বলে তারকাও নেই ?


কলকাতা: নেই সেই আড়ম্বর, নেই সেই জৌলুশ। পালাবদলের পর বদলে গিয়েছে তৃণমূলের ২১ জুলাই-এর শহিদ দিবসের সমাবেশ। তৃণমূল জমানায় প্রতি বছরই ২১ জুলাইয়ের শহিদ তর্পণের মঞ্চে দেখা যেত টালিগঞ্জের কলাকুশলী থেকে বিদ্বজ্জনদের। তৃণমূল ক্ষমতা থেকে যেতেই, এবার একুশের মঞ্চ থেকে উধাও তাঁরা। কেউ দিলেন অসুস্থতার কারণ, কেউ বললেন রাজনীতি থেকে দূরে থাকার কথা। অনেকে আবার কিছু বলতেই চাইলেন না।

গত ১৫ বছরের ছবিটা বদলে গেল এক ঝটকায়। ক্ষমতা হারাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে নেই শিল্পী-সেলিব্রিটি-তারকা-অভিনেতা-অভিনেত্রী কেউই। ২০১১ সালে ব্রিগেডে এই ২১ জুলাইয়ের মঞ্চেই দেখা গেছিল অভিনেতা দেবের পাগলু ডান্স। মাইক হাতে দু-কোলি গান গেয়েও শুনিয়েছিলেন তিনি। অভিনেতা থেকে গায়ক-এর ভূমিকায় দেখা গিয়েছিলো তাঁকে। তারপর থেকেই তৃণমূলের তর্পণের মঞ্চে তারকাদের উপস্থিতির এই ছবি হয়ে উঠেছিল নিয়মিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা মানে, মঞ্চে তাঁকে ঘিরে থাকতেন টলিউডের সব কলাকুশলীরা। কিনতু, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল ক্ষমতা হারানোর পর প্রথম একুশে জুলাই-তেই সেসব উধাও। ফি বছর এই মঞ্চে যাঁদের উপস্থিতি ছিল প্রায় রুটিন, তাঁদের এবার দেখা গেল না মঞ্চের ধারেকাছেও। যেমন সঙ্গীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী, সাহিত্য়িক আবুল বাশার, অভিনেতা দেব, অভিনেত্রী মিমি, শ্রাবন্তী সহ ছোটো পর্দার বহু কলাকুশলীরা। 

আরও পড়ুনকেন ২১-এর মঞ্চে এলেন না নচিকেতা ? কে বারণ করেছে ? জানালেন নিজেই

২১ জুলাইয়ের মঞ্চে আরও যাঁদের প্রায় প্রতিবছর দেখা যেত, তার মধ্য়ে অন্য়তম পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী। এবারের অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর শরীরটা খারাপ। শিল্পী শুভাপ্রসন্নর তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি। অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্য়ায় এনিয়ে মন্তব্য় থেকে বিরত থেকেছেন। আরেক অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুণ্ডু বিষয়টা জানার পরও মন্তব্য় করেননি। এখন প্রশ্ন উঠছে, তখন তৃণমূলের সুদিন ছিল। তাই মঞ্চ জুড়ে থাকত সেলিব্রিটিরা। আজ দুর্দিন বলেই মঞ্চ থেকে দূরে তাঁরা?

এই বিষয় নিয়ে নচিকেতা আবার অন্য কথা তুলে ধরেছেন। তিনি এবিপি আনন্দের মুখোমুখি হয়ে জানান, ” আমি যদি বলি আমাকে বারণ করা হয়েছে?” তখন প্রশ্ন করা হয় কে বারণ করেছে? উত্তরে তিনি বলেন, ”কেউ করেছে। মানে ওরকম ভয় দেখানো নয়। বলেছিল, আমার শরীরের কারণেই। আমাকে এত স্ট্রেসটা নিতে বারণ করেছে। ঠিকই করেছে। আমি শারীরিকভাবে অতটা ইয়েটা নিতে পারব না। খুব অনুকূল তো ছিল না পরিবেশটা। ভোর চারটে অবধি তো ভাঙচুর চলেছে। সেখানে সেই জন্য়ই আমাকে বলেছিল, যে না এলেই ভাল হয়।”

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.