পূর্ব বর্ধমান: মঙ্গলকোটে টুলু মণ্ডলের আত্মীয়র বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। বীরভূমের মহম্মদ নাজিবুদ্দিন ওরফে টুলু আত্মীয়র বাড়িতে পুলিশ। ইফাজুল হকের বাড়িতে, ঘরের তালা ভেঙে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। ঘরের ভেতরের ট্রাঙ্ক, ব্যাগ থাকলেও তা ছিল ফাঁকা।
আরও পড়ুন, ”..এটা হবে না”, নিয়ম লঙ্ঘনে “ফাইন”, জরুরি ঘোষণা রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রার, “আগামী ১ তারিখ থেকে..”
বীরভূমের মহম্মদ নাজিবুদ্দিন ওরফে টুলু মণ্ডলের সম্পত্তির হিসেব যেন শেষই হচ্ছে না। এবার ফ্রিজ করা হল টুলু মণ্ডলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা আরও সাড়ে ৪২ কোটি টাকা। পাথর ব্যবসায়ীর ফ্রিজ হওয়া টাকার পরিমাণ বেড়ে পৌঁছল মোট ১৩৫ কোটি ৫০ লক্ষে। এর সঙ্গে টুলু মণ্ডলের বিভিন্ন ঠিকানা থেকে উদ্ধার হওয়া নগদ ও সোনার বাজারমূল্য মিলিয়ে এই পরিমাণ ছাড়াল ১৮৬ কোটি টাকা। কোটি কোটি টাকা। বিরাট অঙ্কের ব্যাঙ্ক ব্যালান্স।
সোনাদানার পাহাড়। বীরভূমের মহম্মদ নাজিবুদ্দিন ওরফে টুলু মণ্ডলের সম্পত্তির হিসেব যেন শেষই হচ্ছে না। ফ্রিজ করা হয় টুলু মণ্ডলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা আরও সাড়ে ৪২ কোটি টাকা। পাথর ব্যবসায়ীর ফ্রিজ হওয়া টাকার পরিমাণ বেড়ে পৌঁছল মোট ১৩৫ কোটি ৫০ লক্ষে। এর সঙ্গে টুলু মণ্ডলের বিভিন্ন ঠিকানা থেকে উদ্ধার হওয়া নগদ ও সোনার বাজারমূল্য মিলিয়ে এই পরিমাণ ছাড়াল ১৮৬ কোটি টাকা। এর আগে, গত বুধবার বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী মহম্মদ নাজিবুদ্দিন ওরফে টুলুর আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়িতে মেলে টাকা ও সোনার পাহাড়।
তদন্তে উঠে আসছে টুলুর স্টোন-সাম্রাজ্যের বিস্তার। শুক্রবার, টুলু মণ্ডলের সম্পত্তির যে পরিসংখ্য়ান মুখ্য়মন্ত্রী দিয়েছেন, তা চোখ কপালে তোলার মতো! সবমিলিয়ে যে তা আরও কয়েকশ কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মুখ্য়মন্ত্রী জানিয়েছেন, সব মিলিয়ে টুলু মণ্ডলের ২১টি সম্পত্তি, জমি-জায়গার পরিমাণ ৩০০ বিঘা। ৭টা বড় বাড়ি, ফার্ম হাউস, অডি, BMW-সহ ২৪৩টা গাড়ি।জোড়া পেট্রোল পাম্প। ইটভাটা, পার্কিং লট, তিন তিনটে পাথর খাদান, ক্রাশার কী নেই।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সোনার গয়না ২৬৮ গ্রাম, রুপো ৪০০, প্লাটিনামের গয়না ২৩ গ্রাম। ৩টে টাকা গোনার মেশিন পাওয়া গেছে। একটা কম্পিউটার, ২টো পেনড্রাইভ, একটা CPU এবং বিভিন্ন নথি যেমন, রোড চালান, DCR, মানি রিসিপ্ট, চেক বুক। শুধু বীরভূম নয় ,সূত্রের দাবি, কলকাতা-সহ দেশের একাধিক মেট্রো শহর, এমনকী বিদেশেও ছড়িয়ে রয়েছে টুলু মণ্ডলের সম্পত্তির জাল। তার মধ্যে কলকাতাতেই নাকি রয়েছে ২০ থেকে ২৫টি সম্পত্তি। টুলু মণ্ডল স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে নিজে থাকতেন অভিজাত আবাসন আরবানায়।
এছাড়াও সল্টলেক, নিউটাউন, বাগুইআটি, প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোড, বেলেঘাটা-সহ কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে নামে-বেনামে একাধিক ফ্ল্যাট।নিউটাউনের আকাঙ্ক্ষা মোড়ের কাছেই রয়েছে টুলু মণ্ডলের নিজস্ব অফিস বলেও সূত্রের দাবি। কার প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয়ে এই সাম্রাজ্য গড়লেন টুলু মণ্ডল, তা নিয়ে চড়ছে রাজনীতির পারদ।
