Voice of Eastern India

Jadavpur University:“বড় বড় কথা বলেন..কেন এবার গুন্ডাদমন আইন প্রয়োগ হচ্ছে না ?”, যাদবপুরকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা দীপ্সিতার


কলকাতা: যাদবপুরকাণ্ডের পর আজ ABVP-র মিছিল ঘিরে তুলকালাম। মূলত গতকাল ধু্ন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে। আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন ABVP ও ফেটসু-র মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধেছিল।  পুলিশের তরফে বক্তব্য, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য যাদবপুর থানার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে পুলিশি সহায়তার জন্য অনুরোধ করেন। পুলিশের টিম তখন ক্যাম্পাসের ভিতরে গিয়ে বহিরাগতদের বের করে দেয়।  এই মুহূর্তে এবিপি আনন্দ-র মুখোমুখি দীপ্সিতা ধর

  আরও পড়ুন, অন্নপূর্ণা যোজনায় টাকা পাননি ? কী করবেন ? জরুরি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

এবিপি আনন্দ: যেটা পুলিশের তরফ থেকে জানানো হচ্ছে, যে অরিত্র সরকার নামে একজন ব্যাক্তি, সে এবিভিপি-র একজন..  মারধর করার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, আপনাদের তরফে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি..

দীপ্সিতা ধর : গতকাল রাতে কী হয়েছে, সকলেই চোখের সামনে দেখেছেন। এত ভূত করেনি। ইউনিভারসিটির মধ্যে, যারা আগুন ছোড়ার চেষ্টা করছেন, তাঁরাতো ভূত নয়। শুভেন্দু অধিকারী এত বড়বড় কথা বলেন গুন্ডা দমন আইনের জন্য। এখানে একদম চোখের সামনে অডিও ভিস্যুয়াল প্রমাণ রয়েছে। কারা ইউনিভার্সিটির মধ্যে ঢুকলেন, তাঁরা কী কী করার চেষ্টা করলেন ? …গুন্ডাদমন আইন তো গুন্ডাদের জন্য, গুন্ডাদের ভিতরে তো সেই আইন প্রয়োগ হচ্ছে না ? 

এবিপি আনন্দ: পুলিশের তরফ থেকে বলা হচ্ছে, ১০০ ডায়ালে যখন প্রথমে ফোন আসে, প্রথমে জানতে পারেন.., বহিরাগতরা যারা ভিতরে ঢুকেছিল, তাঁদেরকে বের করে দিয়েছে পুলিশ..

দীপ্সিতা ধর : তাহলে হয়তো আমরা সবাই অন্ধ। সবার আমাদের মতিভ্রম হয়েছে। সবার আমাদের মতিভ্রম হয়েছে। সবাই যে ভিডিওটা দেখছি, সবাই স্বপ্ন দেখেছিলাম। ভিতরে ঢুকে ফ্ল্যাগ ছিঁড়ে দেওয়া থেকে শুরু করে, অরবিন্দ ভবনের সামনে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া., অরবিন্দ ভবনের মধ্যে বোম ছুড়ে মারা, অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা, এগুলি আসলে তাহলে আমরা কেউ দেখিনি, এগুলি তাহলে আমরা স্বপ্নে দেখছিলাম। এগুলি তাহলে আসলে হয়নি !

এবিপি আনন্দ: পুলিশ বলছে যে, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছিল, কিন্তু কর্তৃপক্ষ উপাচার্যের সঙ্গে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীকালে উপাচার্যের যেটা বক্তব্য যে, বারবার করে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, কী পরিস্থিতি হল যে, এইরকম বক্তব্য আসছে, প্রত্যেকের কাছ থেকে..?

দীপ্সিতা ধর : এটা তাহলে সত্যিটাকে গার্ড করার চেষ্টা করছে। পুলিশকে একদম এই ডিরেকশন দেওয়া ছিল, আমার গুন্ডারা তাঁরা আসবে, তাঁরা যাদবপুরের মধ্য়ে ঢুকবে। এবং গন্ডোগোল করবে, আপনারা কেউ কিছু করবেন না। 

এবিপি আনন্দ: কিন্তু অরবিন্দ ভবনে ভিতরে যারা ছিল, তাঁদেরকে বেরিয়ে আসতে বলা হয়েছিল..সেটা পুলিশের তরফে বলা হচ্ছে..

দীপ্সিতা ধর : তাঁর সেফটি বা সিকিউরিটি কে নিত ? যে মব ইউনিভার্সিটির মধ্যে ঢুকে, লোককে মারার চেষ্টা করছে, …তাঁরা বাইরে এলে তাঁদের সেফটি সিকিউরিটি নিত পুলিশ ?

মূলত ঘটনার সূত্রপাত বুধবার রাত ৯ টা নাগাদ, FETSU-র তরফে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি জেনারেল বডি মিটিং চলছিল। ছাত্র সংসদ না থাকা সত্ত্বেও কেন ডাকা হল জিবি মিটিং? এর প্রতিবাদ করেন এবিভিপি সদস্যরা। অভিযোগ, এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এবিভিপির সভাপতি নিখিল দাস ও দীপ্তিমান করকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। মোট ৬ জনকে নিয়ে যাওয়া হয় কেপিসি মেডিক্যাল কলেজে।

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.