প্রকাশ সিনহা, কলকাতা : CGO কমপ্লেক্সে পৌঁছে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Primary Recruitment Scam Case) তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে আজ বেলা ১১টায় তলব করে ED। সেইমতো সকাল সোয়া ১০টায় কালীঘাটের বাড়ি থেকে বের হন তিনি। ১১টা বাজার ৫ মিনিট আগেই সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া শুরু হবে। সিজিও কমপ্লেক্সে সাততলায় ইডি দফতরে উঠে গেছেন তিনি।
তবে আজ যে ব্যবস্থা দেখা গেল, রাজ্য পুলিশের তরফে বা বিধাননগর পুলিশের তরফে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেদিন আসতেন সেদিন রাস্তার সামনের মেন গেট বন্ধ করে দেওয়া হত। সাংবাদিকদের গেটের ভিতরে প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়া হত না। আজ সেই অতিরিক্ত ব্যবস্থা অভিষেকের জন্য ছিল না।
এদিন সিজিও কমপ্লেক্সে ঢুকতেই অভিষেককে একাধিক প্রশ্ন করা হলেও তিনি কোনও উত্তর দেননি। ইডি সূত্রের খবর, ১২ পাতার প্রশ্নপত্র তৈরি করেছেন ইডি আধিকারিকরা। যেখানে ৫০-৬০টি প্রশ্ন রয়েছে। সেগুলো সামনে রেখেই প্রথম দফার জিজ্ঞাসাবাদ হবে।
বিধানসভায় সই জালিয়াতিকাণ্ডে রবিবার প্রায় সাড়ে ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সূত্রের খবর, CID জানতে চায়, আসল রেজোলিউশন বুক কার কাছে ? অনুপস্থিত বিধায়কদের হয়ে সই কারা, কার নির্দেশে করেছিলেন ?
বিধানসভায় সই জালিয়াতিকাণ্ডে ভবানীভবনে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সাড়ে ৫ ঘণ্টা, রবিবার সাড়ে ৮ ঘণ্টা ধরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে জিজ্ঞাসাবাদ করে CID। একই মামলায় রবিবার তলব করা হয় কুণাল ঘোষকেও। দু’জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা।
রবিবার বেলা ১২টায় তলব করা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সময়ের বেশ খানিকটা আগে, ১১.৪৩ নাগাদ তিনি ভবানী ভবনে পৌঁছে যান। প্রথমে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। ৩.২০ নাগাদ ভবানীভবনে পৌঁছন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। দু’জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সন্ধে ৭টা নাগাদ কুণাল ঘোষ ভবানীভবন থেকে বেরিয়ে যান। তারও প্রায় দেড় ঘণ্টা পর সেখান থেকে বেরোন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিধানসভায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে উল্লেখ করে যে প্রস্তাব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জমা দিয়েছিলেন— সেখানে অন্তত ১৪ জন বিধায়কের সই নকল করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। আদালতে CID-র তরফে বলা হয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে তালিকার ফটোকপি করে বিধানসভার অধ্যক্ষকে পাঠিয়েছিলেন। ফলে আসল রেজোলিউশন বুক তাঁর কাছেই আছে। CID জানতে চায়, আসল রেজোলিউশন বুক আসলে কার কাছে ? সেদিন যে বিধায়করা হাজির ছিলেন না, তাঁদের হয়ে সই কারা করলেন ? কার নির্দেশেই বা করলেন ?
TMC News: শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের খেলার মাঠের ঘর থেকে উদ্ধার প্রচুর ত্রাণ সামগ্রী
