“তৃণমূলের প্রতীকে জিতে আসা সার্টিফিকেটটা দিয়ে যান না, মধুটা কোথায়?” ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের কটাক্ষ কুণাল ঘোষের
কলকাতা: এবার তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’দের কটাক্ষ করলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি বললেন, “আরে যাঁরা গিয়েছেন, তাঁরা এত বড় বড় এই ফেরত দেব, ওর ওই উপহার ফেরত দেব, ওই উকিলের চিঠি দেব; এত কিছু না বলে প্রতীকে জিতে আসা সার্টিফিকেটটা দিয়ে যান না। তারপর নির্দল হয়ে যা বলার বলুন। আপনারা জিতেছেন তৃণমূল থেকে।”
আরও পড়ুন: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেন বন্ধ করতে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে চিঠি, অরূপকে শোকজ ‘কালীঘাট-তৃণমূল’-এর
এরপর নির্বাচনের খরচ প্রসঙ্গেও দলত্যাগী সাংসদদের কটাক্ষ করেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চারপাশে এদেরই দেখা যেত। তৃণমূলের প্রতীকে জিতেছেন। আবার দেখা যাবে অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যাবে নির্বাচনের খরচেও এমন কিছু নথি বেরোবে। পার্টি আর্থিক সাহায্য করেছে, ইত্যাদি ইত্যাদি।”
কুণাল ঘোষ এই প্রশ্নও তোলেন লোকসভার সাংসদ পদের মধু কোন জায়গায়? তিনি বলেন, “রাজ্যসভার বিদ্রোহীরা ইস্তফা দেয় আর লোকসভার বিদ্রোহীরা অন্য কোনও পার্টিতে গিয়ে সাংসদ পোস্টটাকে আঁকড়ে রাখতে হয়, মধুটা কোথায়? তাহলে রাজ্যসভার বিদ্রোহ মডেল আর লোকসভার বিদ্রোহ মডেলটা কীভাবে আলাদা হচ্ছে? এখান থেকেই বিভিন্ন ধরনের রহস্য, জল্পনা, এগুলো তৈরি হয়।”
পাল্টা আক্রমণ করেছেন শতাব্দী রায়। তিনি বলেন, “জয়ের ক্ষেত্রে আমাদেরও অবদান আছে। না হলে ৪২ আসনেই কেন দল জিতল না? ২ বছরে মানুষ পাল্টে গিয়েছে, সেটা স্বীকার করে নিতে হবে। মানুষের ভোট বিপক্ষে গিয়েছে। মানুষের কাজ করা যাচ্ছিল না। মানুষ ভোট দিয়েছে, তাঁদের উন্নয়নের জন্য কাজ করতেই হবে।”
সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, “স্বচ্ছতার কথা বলে উস্কানি দিচ্ছে। দ্বিতীয়ত, ওর ব্যক্তিগত আক্রমণে যাচ্ছে। আমরা কিন্তু ২০ জন। এখনও ওদের বিরুদ্ধে কিছু বলিনি। বলার কিন্তু অনেক কিছু ছিল। আমরাও চুপ করে ছিলাম, ঠিক আছে। আইনি লড়াই, সাংবিধানিক লড়াই লড়ছে ওরা, লড়ুক। কিন্তু এর সবাইকে যা খুশি বলছে। আবার বলছে সার্টিফিকেট। ৪২ টা তো জেতেনি? ৪২ টা জেতা উচিত ছিল। যদি কারও অবদান না থাকে ওর মধ্যে। দ্বিতীয়ত, আমার এলাকায় ৭ টা বিধানসভা এলাকায় আমি জিতেছিলাম। ২ বছরের মধ্যে ৪ টে হেরেছে। তাহলে ২ বছরে মানুষ পাল্টে গিয়েছে।”
Narendra Modi News: দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তিনটি যুদ্ধজাহাজ উদ্বোধন করলেন মোদি
