Voice of Eastern India

Ayushman Bharat: ‘আয়ুষ্মান ভারতে’র সুবিধা পাননি ? কোন স্বাস্থ্যবীমার সুবিধা পাবেন ? জানিয়ে দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী


কলকাতা: ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে কেন্দ্র সরকার চালু করেছে আয়ুষ্মান ভারত – প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (Ayushman Bharat – PM-JAY)। এই প্রকল্পে প্রতিটি পরিবার ৫ লক্ষ টাকার ক্যাশলেস কভারেজ পাবেন। আগে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা না পেলেও রাজ্যে পালা বদলের পর চালু হয়ে গেল আয়ুষ্মান ভারত ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমার কার্ড প্রকল্প। অনেকের মনে প্রশ্ন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, যদি কেউ আয়ুষ্মানের আওতায় না আসেন তবে তিনি কি কোনও পরিষেবা পাবেন না? এক্ষেত্রে সেই পরিবার কোন সুবিধা পাবেন তাও জানিয়ে দিলেন  স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।

২০১৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। তারপর থেকেই দেশের বহু রাজ্যের কোটি কোটি মানুষ এই স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্পের আওতায় এসেছেন। এবার পশ্চিমবঙ্গেও চালু হয়ে গেল এই প্রকল্প। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের অধীন ন্যাশনাল হেলথ অথরিটি (NHA)পরিচালিত এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল দরিদ্র ও আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারগুলিকে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা দেওয়া। কিন্তু এই সুবিধা পেতে গেলে কয়েকটি ক্রাইটেরিয়া মেনে চলতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ করলেই তাঁরা এই চিকিৎসা বিমার আওতায় নিজের নাম লেখাতে পারবেন। কিন্তু যারা পাবেন না বা সব শর্ত পূরণ করতে অপারক হবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে কী হবে? এই প্রশ্নের উত্তরও দিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। 

আরও পড়ুন – সঙ্গে কেন্দ্র কিংবা রাজ্যের স্বাস্থ্য বিমা কার্ড নেই ? কীভাবে চিকিৎসা পাবেন হাসপাতালে ? জেনে নিন

স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানান,  ”৮০ লক্ষ পরিবার মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবীমা যোজনার অন্তর্ভুক্ত হবেন। যে যে উপভোক্তারা আয়ুষ্মান ভারতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি, কিন্তু স্বাস্থ্যসাথী স্কিমে যুক্ত আছেন তাঁরা নিশ্চিন্তে থাকুন। তাঁদের জন্যই মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবীমা যোজনা। ” অর্থাৎ যারা  আয়ুষ্মান ভারতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন না, তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবীমা যোজনার আওতায় পরিষেবা পাবেন। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান যে, ”ক্যাশলেস কভারেজ দেওয়া হবে ৫ লক্ষ টাকা করে প্রতি পরিবারকে। এটি প্রতি বছর দেওয়া হবে। পরিবারের সংখ্যার কিছু সীমা থাকবে না। ১৬ তারিখ থেকে চালু হয়ে যাবে। সারা ভারতবর্ষের সব জায়গায় এটি প্রচলিত। প্রায় ২ হাজার বেসরকারি হাসপাতাল এবং সরকারি হাসপাতাল এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত আছে। এর মধ্যে বেসরকারি প্রায় ১৩০০ এবং সরকারি ৭০০।”

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.