পূর্ণেন্দু সিংহ, বাঁকুড়া: দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে প্রবল বৃষ্টি। জল জমেছে একাধিক জায়গায়। বিভিন্ন নদীতে বেড়েছে জলস্তর। আর এই অবস্থায় জলের কারণে বন্ধ হয়ে গেল রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ। বাঁকুড়া থেকে রানিগঞ্জ যাওয়ার যে রাস্তা, জলের কারণে সেখানে মানকানালী সেতুতে উল্টেছে ডাম্পার। আর তারপর থেকেই বন্ধ রাস্তা।
বাঁকুড়ার উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে গন্ধেশ্বরী নদী। আর তার উপর রয়েছে মানকানালী সেতু। এই সেতুর উপর দিয়েই গিয়েছে বাঁকুড়া থেকে মানকানালী হয়ে রানিগঞ্জ যাওয়ার রাস্তা। আর সেই গন্ধেশ্বরী নদীতে জল বাড়ার কারণে তা উঠে যায় সেতুর উপরও। আর এর ফলেই সেতুর উপর দিয়ে যাওয়ার সময় উল্টে যায় একটি ডাম্পার।
জানা গিয়েছে বর্তমানে বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে গন্ধেশ্বরী নদী। আর সেতু ছাপিয়ে জল উঠে যাওয়ার আপাতত বন্ধ রয়েছে মানকানালী সেতু দিয়ে যাতায়াত। এর ফলে সমস্যার পড়েছে স্থানীয় মানুষ ও ওই সেতুর উপর দিয়ে চলাচল করে যে সব বাস ও ট্রাক, তারা। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই মানকানালী সেতুর উপর দিয়ে ৭ টি যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে। এ ছাড়াও চলাচল করে ডাম্পার ও ট্রাক।
অন্যদিকে, টাকা বৃষ্টির চোটে জলমগ্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পুরুলিয়া জেলার একাধিক এলাকায়। এরই মধ্যে তীব্র স্রোতের কারণে ভেসে গেলেন এক বাইক চালক। মঙ্গলবার সকালে সাতুড়ি থানার অন্তর্গত সুভাষ রোডের উপর কোটালডি রেলগেটের কাছে জলের তোড়ে বাইক সহ ভেসে গিয়েছিলেন ওই বাইক চালক। রাস্তার উপর দিয়ে প্রবল তোড়ে জল বইছিল। আর সেই জলের টানেই ভেসে গিয়েছিলেন তিনি।
এই ঘটনা ঘটতেই ছুটে আসেন স্থানীয় মানুষজন। তাঁদের তৎপরতায় ওই বাইক চালককে জল থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে, টানা বৃষ্টির কারণে ওই এলাকায় রাস্তার উপর জল জমেছে। আর সেই জলের কারণেই রাস্তা দিয়ে যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে, এই বিষয়টা যাতে তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যায়, সেই বিষয়ে সচেষ্ট প্রশাসন। সাধারণ মানুষকে সতর্ক হয়ে রাস্তা দিয়ে চলাচল করার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।
