আজই বিজেপিতে যোগ দেন রাজ্যসভার ৩ প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ। বিজেপিতে যোগ দেন সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বরাইক। ২৪ জুলাই পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভার ৩ আসনে উপনির্বাচন। পালাবদলের পর প্রথম যোগদানের দরজা খুলল বিজেপি। ‘যাঁরা মানুষের টাকা লুঠ করেছেন তাঁদের জন্য বিজেপির দরজা বন্ধ’। ব্যতিক্রম হয়, দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, বার্তা শমীক ভট্টাচার্যর।
পড়ুন আরও খবর – বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘এক্সেপশন প্রুফ দা ল আছে না? ব্যতিক্রম তো থাকবেই। বিচ্যুতি নয় ব্যতিক্রম। ব্যতিক্রমী ঘটনা ব্যতিক্রমী চরিত্রের সঙ্গে সময়ের সঙ্গে দলও নিজেকে খাপ খাইয়ে নেয়। পার্টির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। চার ঘন্টার তৃণমূলের জন্য দরজা বন্ধ। যারা মানুষের সম্পত্তি লুট করেছেন, তাদের জন্য দরজা বন্ধ। নির্বাচনের আগে আমি বারবার আহ্বান জানিয়েছি কংগ্রেসের ভোটারদের কাছে, বামপন্থী ভোটারদের কাছে এবং স্পষ্ট করে এটা বলেছিলাম যারা চাকরি বিক্রি করেননি, চাকরি কেনেননি, সিন্ডিকেটে অংশগ্রহণ করেননি, যারা নিরপরাধ মানুষের উপরে নিজের আধিপত্য বা চাপিয়ে দেননি, যারা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারগুলোকে পদদলিত করে দেননি, যারা টেন্টেড নন, যারা অপ্রাসঙ্গিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাসঙ্গিক করবার জন্য বিপরীত পরিস্থিতিতে নিজের ঘাম রক্ত দিয়ে দেওয়ালে ঘাসফুল চিহ্ন এঁকেছিলেন, তাদের কাছে আহ্বান জানিয়েছিলাম, যে আপনারা পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থে, আপনাদের পরবর্তী প্রজন্মের স্বার্থে এই নির্বাচনে তৃণমূলকে সরিয়ে দিন। সুতরাং এটা নতুন কোনও বিষয় নয়। আশা করব এরা প্রত্যেকেই গুণীজন, বিদগ্ধ মানুষ। এঁদের নামের আগে পদত্যাগী, দলত্যাগী বা তৃণমূলী এই শব্দগুলো ব্যবহার করবেন না। প্রত্যেকেরই একটা অতীত আছে। সাধুরও একটা অতীত থাকে। এই মুহূর্তে সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বরাইকের একমাত্র পরিচয় তাঁরা বিজেপি কর্মী।’
