Voice of Eastern India

CJP Protest: জ্ঞানেশ ইস্যুতে ফের পথে নামছে ‘INDI’ জোট, কবে ? বিজেপির দাবি ‘এটা মোদি ভার্সেস মিরজাফরের লড়াই’


দিল্লি: দাবি একটাই। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। আর সেই ইস্যুতে আন্দোলনের ঝাঁঝ কমাতে চাইছে না বিরোধীরা। জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতে রাষ্ট্রপতির পর এবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হতে চলেছে বিরোধীরা। সোমবার দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে স্মারকলিপি দিতে যাবে বিরোধী INDI জোট। রাহুল গান্ধীর আমন্ত্রণে সেই কর্মসূচিতে যোগ দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও লাভ হবে না। কটাক্ষ করে বলল বিজেপি। 

জ্ঞানেশ ইস্যুতে এক জায়গায় এসেছে INDI জোটের শরিকরা। নিজেদের মধ্যে বৈঠক থেকে শুরু করে রাস্তায় পর্যন্ত নেমেছেন তাঁদের নেতা-নেত্রী ও সাংসদরা। উত্তাল দিল্লির রাস্তা। পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন বারবার। এই আবহেই ভোট চুরির অভিযোগ জানাতে, শুক্রবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গেও দেখা করে এসেছেন রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা। তখনই ঘোষণা করা হয় সোমবারের কর্মসূচি। এদিন এক্স হ্যান্ডলে লোকসভার বিরোধী দলনেতা ও সাংসদ রাহুল গান্ধী লিখেছেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার যাবেন। এই (মোদি) সরকার যাবে। তারপর গণতন্ত্রের সংস্কার শুরু হবে।’

রাহুল গান্ধী এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে আরও বলেন, ”গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আমি নরেন্দ্র মোদি ও RSS-এর বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছি। নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, মোহন ভাগবত, জ্ঞানেশ কুমার, অজিত ডোভাল—এই গল্পের খলনায়কদের চারপাশের পরিসর ধীরে ধীরে সঙ্কুচিত হয়ে আসছে। মিস্টার মোদি, এখন যা খুশি তাই করুন। সব পুলিশকে রাস্তায় নামান – ১০ হাজার, ২০ হাজার, ৫০ হাজার, যা ইচ্ছা। সব নেতাকে গ্রেফতার করুন। সব তরুণকে গ্রেফতার করুন। আমরা আমাদের সংবিধান রক্ষা করব।”

জ্ঞানেশ ইস্যু ও INDI জোট নিয়ে মুখ খোলেন মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস-এর নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ”আমাকে রাহুল গান্ধী বারবার বলছিল ওদের ওই সুপ্রিম কোর্টের কর্মসূচিটায় আসার জন্য। তাই, আমি অভিষেককে বললাম, তোমাদের আসার দরকার নেই তাহলে। আমি থেকে যাই। কারণ আমি আজ আবার যাব, কাল আবার আসব, এটা তো হতে পারে না। আর আমাদের অত ক্ষমতাও নেই। আমি একদিন থেকে যাব। কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তারপর যাব।”

INDI জোটের এই সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করে বিজেপি। বিজেপি সাংসদ  সম্বিত পাত্র বলেন, ”দেখুন, এটা মোদি ভার্সেস মিরজাফরের লড়াই। এরা এমন কিছু মানুষ, যাঁরা ক্ষমতার জন্য় দেশকে বন্ধক রাখতে পারে, মনে রাখবেন। এই যে রাস্তার উপরে অরাজকতার লড়াইয়ের চেষ্টা চলছে, পুরো ভারত শুনুক, কেবল কীভাবে ভোটে না জিতে, ভোটে লড়াই না করে গদির দখল করতে হয়। কীভাবে কোন পরিশ্রম না করেই প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায়। তার জন্য় দরকারে যদি দেশকে বন্ধক রাখতে হয়। দ্বিমুখী নীতি হয়, তার জন্য় মিরজাফর প্রস্তুত। এই লড়াই মোদী ভার্সেস মিরজাফর।”

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.