Fertilizer Price: “কৃষিমন্ত্রী আমাকে সময় দেননি, তাই…”, স্পিকারের কাছে ‘অভিযোগ’ জানালেন ময়নাগুড়ির বিজেপি বিধায়ক
কলকাতা: সারের যা দাম, কৃষকদের থেকে নেওয়া হচ্ছে তার চেয়েও বেশি দাম, বিধানসভায় এমনই অভিযোগ করলেন ময়নাগুড়ির বিজেপি বিধায়ক ডালিম রায়। তাঁর অভিযোগ, প্যাকেটে যে দাম লেখা থাকে, তার থেকেও বেশি দাম দিয়ে সার কিনতে হচ্ছে সাধারণ কৃষকদের। ডালিম রায় আরও বলেন, কৃষিমন্ত্রীকে বিষয়টা বলতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তিনি আমার সঙ্গে দেখা করেননি। সূত্রের খবর, এর পরই কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন পরিষদীয় মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। আরও জানা গিয়েছে, তারপর বিধায়ক ডালিম রায়কে ডেকে কৃষিমন্ত্রীর পাশে বসিয়েও দেন তিনি।
ময়নাগুড়ির বিধায়ক ডালিম চরণ রায় বলেন, “আজ পর্যন্ত শুনিনি, কোনও জিনিসের উপর যে দাম লেখা থাকে, সেটার চেয়ে বেশি দামে তা বিক্রি হয়। একমাত্র যেটা হয়, সেটা হল সার। এক একটা সারের বসতে কোম্পানিরা যা দাম লেখে, তার থেকে ২০০ বা ৩০০ টাকা বেশি নেওয়া হয়। সেই দামে ওই সার হোলসেলারদের কাছে বিক্রি করা হয়। তার সঙ্গে টেকিং ব্যবস্থা জুড়ে দেয়। তাতে এক একটা সারের বস্তার দাম পড়ে যায়, ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা। আজ এই ভাবে যদি কোম্পানিগুলো বোঝা চালিয়ে দেয়, সেটা তো গিয়ে পড়ে কৃষকের ঘাড়ে। আজ কৃষকদের অবস্থা কিন্তু ত্রাহি, ত্রাহি।”
আর তারপরই তাঁর মুখে শোনা যায় কৃষিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সেই ‘অভিযোগ’। ময়নাগুড়ির বিধায়ক বলেন, “আমি আমাদের কৃষিমন্ত্রীকে বলার জন্য চেষ্টা করেছিলাম। উনি আমাকে সময় দেননি। তাই হাউসে আমি স্পিকার সাহেবের কাছে অনুরোধ করছি, আপনি এই কথাটা জানাবেন। তারপর এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ রাখছি।”
আরও পড়ুন: SIR-এর সময় বেআইনি ভাবে ইস্যু হয়েছে বার্থ সার্টিফিকেট, ২৫ শতাংশই ভুয়ো, বলছেন মুখ্যসচিব
আর এবার ‘কালীঘাট তৃণমূল’ -এর বিধায়ক কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশ। বিধানসভায় হট্টগোলের কারণেই তাঁকে এই স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। বেলেঘাটার বিধায়কের বিরুদ্ধে এই স্বাধীকার ভঙ্গের নোটিশ আনলেন পরিষদীয় মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। আর এই স্বাধীকার ভঙ্গের নোটিশ নিয়ে শাসকদলকে পাল্টা আক্রমণে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “এভাবে আমাকে আটকানো যাবে না, পারলে বিধায়ক-পদ খারিজ করুন।”
