কলকাতা: আরজি কর মামলায় এবার, পরিবারের আবেদনে সাড়া দিল আদালত। আর জি কর মামলায় তদন্তকারী অফিসার বদল করা হল। CBI-এর নতুন তদন্তকারী অফিসার হলেন, সন্দীপনী গর্গ। সীমা পহুজাকে সরিয়ে CBI-এর নতুন IO সন্দীপনী গর্গ। অভয়ার বাবা-মায়ের দাবি মেনেই এই তদন্তকারী অফিসার বদল করা হল। ‘আপনার ওপর ভরসা রাখছি’, CBI-এর নতুন IO-র হাত ধরে আর্তি অভয়ার মায়ের। অন্যদিকে আজ আর জি কর মামলায় স্টেটাস রিপোর্ট পেশ করল CBI। আজ শিয়ালদা আদালতে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিল CBI। আজ শিয়ালদা আদালতে CBI-এর আইনজীবী জানান, আরজি কর মামলায় SIT গঠন করা হয়েছে। আগের তদন্তকারী অফিসারের থেকে নথি জোগাড় করা হচ্ছে।
অন্যদিকে আজ অভয়ার পরিবারের তরফ থেকে, একগুচ্ছ প্রশ্ন ও রাখা হয়েছে আদালতের কাছে। পরিবারের তরফ থেকে এদিন প্রশ্ন করা হয়, প্রথমত, আগামী সপ্তাহে অভয়াকাণ্ডের ২ বছর, এতদিনে কতদূর এগোল তদন্ত? দ্বিতীয়ত, নির্মল ঘোষের গ্রেফতারির দাবি তোলা হয়েছিল? কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? তৃতীয়ত, ঘটনার দিন রাতে অভয়ার সঙ্গে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের নিয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?’ এদিন অভয়ার পরিবারের তরফ থেকে, আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে প্রশ্ন রাখা হয়, ফরেন্সিক রিপোর্ট বিকৃত করা হয়েছে, তার জন্য কী পদক্ষেপ করা হয়েছে? তিনি আরও প্রশ্ন রেখেছেন, ‘আগের তদন্তকারীরা তদন্তে কী জানতে পেরেছেন?’ CBI-এর নতুন IO-র হাত ধরে অভয়ার মায়ের আর্তি, ‘আমরা আপনার ওপর ভরসা রাখছি।’ এছাড়াও অভয়ার পরিবারের তরফ থেকে আবেদন করা হয়েছিল যে, এই ঘটনায় অভয়ার মায়ের বক্তব্য নেওয়া হোক। আগামী ৫ তারিখ ফের এই মামলার শুনানি হবে।
কী বলছেন অভয়ার বাবা?
এদিন অভয়ার বাবা বলেন, ‘আজকে শিয়ালদহ কোর্টে CBI-এর স্টেটাস রিপোর্ট দেওয়ার দিন ছিল। আমাদের নতুন মুখ্যমন্ত্রী, শুভেন্দু অধিকারী, যিনি আমার মেয়েকে বোন বলে সম্বোধন করেন.. তিনি যে কাজটা করেছেন, ৩জন আইপিএস অফিসার, পুলিশ অফিসারকে সাসপেন্ড করেছেন, অনেক বড় পদক্ষেপ দেখিয়েছেন। তিনি আমাদের সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগীতা করছেন। বিচারের লড়াইটা তো আমাদের নিজেদেরই লড়তে হবে। কোর্ট, CBI আছে, লড়াইটা সেভাবেই চলতে থাকবে। লড়াইটা আমরা করব, বিচার পাবোই।’
এদিন সাংবাদিক সম্মেলন থেকে কুণাল ঘোষ বলেন, ‘CBI দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করছে। আরজি করের ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূল অপরাধীকে গ্রেফতার করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ। ওঁরাই বললেন CBI চাই, CBI করেছেন। তারপরে ওঁরাই বললেন CBI মানি না। সরকার বদলের পরে আবার একটা রাজনৈতিক ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা চলছে। সিবিআই তো অনেকদিন হল সুযোগ পেয়েছে। এতদিন ধরে তদন্ত করে তাঁরা কী করছেন, কী করবেন… সেটা রিপোর্ট না দেখে বলতে পারব না।
