RG Kar Case: ‘ধর্ষকের বেঁচে থাকার অধিকার নেই’, বারুইপুরকাণ্ডে এনকাউন্টারকে সমর্থন অভয়ার মায়ের, রত্না দেবনাথ বললেন, ‘আসল অপরাধীরা আর জি করে ঘুরে বেড়াচ্ছে’
কলকাতা: বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ এবং হত্যার ঘটনায় টানাপোড়েন অব্যাহত। এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে এক অভিযুক্তের। সেই নিয়ে কাটাছেঁড়ার মধ্যে এনকাউন্টারের সমর্থনে মুখ খুললেন বিজেপি বিধায়ক, তথা আর জি করের নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ। জানালেন এনকাউন্টারকে সমর্থন করেন তিনি। ধর্ষকের বাঁচার অধিকার আছে বলে মনে করেন না তিনি। তাঁর মেয়ের বেলায় অপরাধের বিচার হয়নি বলেও দাবি করেছেন রত্না। (Ratna Debnath Exclusive Interview on Baruipur)
এবিপি আনন্দ-কে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন রত্না। তাঁর বক্তব্য, “১১ বছরের বাচ্চাটা এখনও সমাজের কিছু বুঝে উঠতেই পারেনি। তার আগেই এত অত্যাচার সহ্য করে পৃথিবী থেকে চলে যেতে হল তাকে। এই যে এনকাউন্টার করা হয়েছে, আমি সমর্থন করি এটাকে। খুব ভাল হয়েছে। ধর্ষকের বাঁচার কোনও অধিকার নেই।” (RG Kar Case)
আরও পড়ুন: বারুইপুরকাণ্ডে প্রভাসই মূল অভিযুক্ত, গভীর রাতে শুধু তাকেই নিয়ে যাওয়া হল কেন? পুলিশ জানাল…
বারুইপুরের ঘটনার জন্য আগেই পূর্বতন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় সরকারের ‘অনাচার’কে কাঠগড়ায় তোলেন রত্না। এদিন তিনি বলেন, “বিগত সরকারের আমলে এই সব অপরাধীদের মাথায় প্রত্যক্ষ মদত রেখে দিতেন আমাদের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সেই মদতে পুষ্ট হয়ে এত অত্যাচার বেড়ে গিয়েছে মেয়েদের উপর। এই ভাবে কঠোর সাজা দিলে অপরাধের প্রবণতা কমে যাবে।”
আর জি করের ঘটনায় সঞ্জয় রাইকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবনের সাজা শোনায় আদালত। কিন্তু উপযুক্ত শাস্তি হয়েছে বলে মনে করেন কি তিনি? আদৌ কি বিচার পেয়েছেন? উত্তরে রত্না বলেন, “আদৌ কোনও বিচার আমরা পাইনি। কিন্তু ওরা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, ‘আমরা বিচার দিয়েছি। একজনকে সাজা দিয়েছি আমরা। আর কেউ নেই বলে কিছু করতে পারেনি।’। তবে আমরা মা-বাবা হিসেবে যেমন বিশ্বাস করি না, তেমন গোটা বিশ্বের লোকও বিশ্বাস করে না যে সঞ্জয় একা আমার মেয়েকে খুন করেছে। মাত্র ওইটুকু সময়ের মধ্যে…।”
আরও পড়ুন: মেজাজ হারিয়ে সপাটে চড় কষালেন মমতা, বাড়ির সামনে হুলস্থুল
রত্নার কথায়, “আমার মেয়ের ঘটনায় অনেকগুলো প্রশ্ন রয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট, ইনকোয়েস্ট রিপোর্ট আলাদা। পোস্টমর্টেম করতে মাত্র এক ঘণ্টা সময় লাগল? যেখানে দেহে ২৬টি আঘাত! আমি তো তাকাতেই পারিনি ওর দিকে। সারা মুখে কামড়ের দাগ। দাগগুলো বসে গিয়েছিল। গলায় আঙুলের ছাপ। সেই ছাপ কার, তাও নেওয়া হয়নি। নমুনা চারদিন ওখানেই ফেলে রেখেছিল। এখন বলছে কনট্যামিনেটেড। এসব অনেক তথ্য লোপাট করেছে। তখনকার মুখ্যমন্ত্রী পুলিশমন্ত্রীও ছিলেন। তাঁর কথাতেই পুলিশ চলেছে। তাঁর মদতপ্রাপ্ত তিনজনকে এখনকার মুখ্যমন্ত্রী সাসপেন্ড করেছেন। আসল অপরাধীরা এখনও আর জি কর হাসাপাতালেই ঘুরে বেড়াচ্ছে।”
Samik Bhattacharya: ‘উনি তো চিরকাল হাঁটার মধ্যেই ছিলেন। উনি বসে যাবেন কেন?’, মমতাকে কটাক্ষ শমীকের
