ছাত্র সংসদ ফি হিসেবে নেওয়া টাকার খরচ নিয়ে অডিটের সিদ্ধান্ত রাজ্যের, জানালেন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী, কী কী নির্দেশ এল এবার ? ” তালাবদ্ধ ঘর..”
কলকাতা: ছাত্র সংসদ ফি হিসেবে নেওয়া টাকার খরচ নিয়ে অডিটের সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের, জানালেন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী। ছাত্র সংসদের (Students’ Union) তালাবদ্ধ ঘর নিয়ে উচ্চশিক্ষা দফতরের নির্দেশ। পশ্চিমবঙ্গের সব সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত (Govt-aided) এবং প্রাক্তন স্পনসরড কলেজকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ছাত্র সংসদ ফি (Students’ Union Fee) বাবদ সংগৃহীত অর্থের ব্যয়ের অডিট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সেই অডিটের অংশ হিসেবে ছাত্র সংসদের সম্পত্তি ও সামগ্রীর তালিকা (Inventory) প্রস্তুত করতে হবে।
আরও পড়ুন, তারাতলা বিপর্যয়ে মৃত্যুমিছিল, আটক ফিরহাদ ঘনিষ্ঠ কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়
কলেজ কর্তৃপক্ষকে যা করতে হবে। কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদের কোনো ঘর বা অন্য কোনো ঘর যদি অনুমোদনহীনভাবে তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকে, তাহলে তা জরুরি ভিত্তিতে খুলতে হবে। ঘর খোলার সময় অধ্যক্ষ/উপাধ্যক্ষ/টিচার-ইন-চার্জ/অফিসার-ইন-চার্জ উপস্থিত থাকবেন। তাঁদের সঙ্গে কমপক্ষে ৫ জন স্থায়ী কর্মী (শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী মিলিয়ে) উপস্থিত থাকতে হবে। পুরো তালা খোলার প্রক্রিয়ার ছবি ও ভিডিও রেকর্ড করতে হবে।ঘরের ভিতরে পাওয়া সমস্ত সামগ্রীর তালিকা তৈরি করতে হবে।
উপস্থিত সকল কর্মীর স্বাক্ষর নিয়ে সেই তালিকা সংরক্ষণ করতে হবে।কোনো অনভিপ্রেত বা সন্দেহজনক জিনিস পাওয়া গেলে অবিলম্বে কলেজের প্রশাসক/গভর্নিং বডি এবং ডিরেক্টর অফ পাবলিক ইনস্ট্রাকশন (DPI)-কে জানাতে হবে।রিপোর্ট জমা নির্দেশ কার্যকর করার পর কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট DPI-কে পাঠাতে হবে।রিপোর্টের কপি সংশ্লিষ্ট কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককেও দিতে হবে।বিষয়টিকে “অত্যন্ত জরুরি” (Extremely Urgent) হিসেবে বিবেচনা করতে বলা হয়েছে।
৯ বছরের ওপর রাজ্যের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে হয়নি ছাত্র সংসদ নির্বাচন। শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের আমলে কি বদলাবে এই ছবি? সম্প্রতি তেমনই ইঙ্গিত দেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। এই বছরেই কলেজগুলিতে হবে ছাত্র ভোট, এমন আশার কথা শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। ৯ বছর ধরে, রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজগুলিতে থমকে রয়েছে ছাত্র সংসদ নির্বাচন। আর এই অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে। তৈরি হয়েছে নতুন সরকার। এবার কি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন ফিরতে চলেছে? আশার কথা শোনালেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক।
সজল ঘোষ বলেছেন, ‘নির্বাচন তো আমার রাইট। ইউজিসি দেয় এই রাইট। এই রাইট কেড়ে নেওয়ার অধিকার এদের নেই, কোনও সরকারের নেই। দুর্ভাগ্যবশত কোনও ছাত্রসংগঠন, ইনক্লুডিং আমার, কেউ এটা নিয়ে কথা বলেনি। ১০০ শতাংশ হতে হবে। আমি তো এটা দাবি করব। শুভেন্দুবাবুও ছাত্র রাজনীতি থেকেই আসা। দাবি করতে হবে না। উনি নিজেই করবেন। উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) ছাত্র রাজনীতি ঠিক করে করেননি। শুভেন্দুবাবু আর ওনার মধ্যে তফাৎ রয়েছে। ‘
Taratala News: তারাতলায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের দেখতে SSKM-এ স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত
