কলকাতা : তৃণমূলনেত্রীর সঙ্গ ছেড়েছেন তাঁর কয়েক দশকের পুরনো সঙ্গী সুদীপ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। দিল্লিতে গিয়ে প্রথমে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব ও তারপর বৈঠক করেন খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। ৩০ মিনিট ধরে বৈঠক হয়। এরপর দীর্ঘ জল্পনা-আলোচনা-বৈঠকের পর বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদরা মিশে যান NCPI নামে একটি অচেনা দলের সঙ্গে! বিদ্রোহীদের তালিকায় স্পিকারের সামনে সই করলেন সুদীপ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ও। এখন প্রশ্ন হল, এবার তাঁর স্ত্রী নয়না বন্দ্য়োপাধ্য়ায় কী করবেন?
নয়নার অবস্থান সম্পর্কে সোমবারই স্পষ্ট করে দেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট বলেন, তাঁর স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস করেননি কখনও। তিনি ‘দিদি’কে দেখেই তৃণমূলে যোগ দেন। পার্টির এমন ভগ্নদশাতেও নয়না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই থাকবেন। সুদীপ জানান, তিনি তাতে আপত্তি করেননি।
তৃণমূলের প্রবল দাক্ষিণাত্য দাপটের মধ্যেও, কলকাতা উত্তরের উজ্জ্বল আলো ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধায়ক থেকে সাংসদ হয়েছেন,
এককালে, মমতা-দূরত্বের জেরে টিকিট না পেয়ে বিদ্রোহীও হয়েছেন। ভোটের ময়দানে, নিজের দলকেই ছুড়েছেন নির্দল-চ্যালেঞ্জ । দলেই আবার শাস্তির কোপে পড়েছেন। আবার ফিরে এসেছেন। টানা সাংসদ পদে ছিলেন রোজভ্যালি মামলায় জেল খেটেছেন। তাঁকে দেখতে ওড়িশা ছুটে গেছেন খোদ তৃণমূল নেত্রী। তাঁর জন্য বারেবারে বিদ্রোহী হয়েছেন অন্যান্য নেতারা। দল ছেড়েছেন তাঁরা। তবুও দলেই বহাল তবিয়তে থেকে গেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটে বিপর্যয়ের পর, এহেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ই নাম লিখিয়েছেন বিদ্রোহী ব্লকে।
TMC News: শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের খেলার মাঠের ঘর থেকে উদ্ধার প্রচুর ত্রাণ সামগ্রী
