Voice of Eastern India

Hooghly News: মর্মান্তিক, টানা বৃষ্টিতে আগেই আলগা হয়েছিল মাটির ঘরের ভিত, রাত ২টোয় বিকট শব্দ, তখন গভীর নিদ্রায় বাবা ও মেয়ে..


সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়, হুগলি: হুগলির মগরায় মাটির ঘর চাপা পড়ে মৃত্যু বাবা-মেয়ের। গভীর রাতে বাড়ির দেওয়াল ধসে মৃত্যু প্রৌঢ় গৌর মালিক ও কিশোরী মাম মালিকের। টানা বৃষ্টিতে মাটির ঘরের ভিত আলগা হয়ে যাওয়ায় মগরার গজঘণ্টা এলাকায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। আবাস যোজনায় প্রথম কিস্তির টাকা পেয়ে বাড়ি করা শুরু করেছিলেন গৌর মালিক। একটি দেওয়াল তোলা হলেও পুরো টাকা না মেলায় বাড়ির কাজ শেষ করা যায়নি বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুন, সব্যসাচী দত্তের রাজারহাটের ফ্ল্যাটে সোনা উদ্ধারকাণ্ডে এবার অভিযানে ED

হুগলির মগরা থানার গজঘন্টা মালিকপাড়ায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মাটির ঘর ভেঙে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে গৌড় মালিক (৫৬) ও তাঁর ১২ বছরের মেয়ে মাম মালিকের।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শুক্রবার রাত প্রায় ২টো নাগাদ বিকট শব্দ শুনে তাঁরা বাইরে বেরিয়ে এসে দেখেন, গৌড় মালিকের মাটির বাড়িটি ধসে পড়েছে। এরপর এলাকাবাসী উদ্ধারকাজে নেমে পড়েন এবং খবর দেওয়া হয় মগরা থানায়। উদ্ধার করে দু’জনকে বের করা হলেও তাঁদের আর বাঁচানো যায়নি।

জানা গিয়েছে, গৌড় মালিক পেশায় সবজি ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি তাঁর কিশোরী মেয়েকে নিয়ে ওই মাটির ঘরেই বসবাস করতেন। মগরা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধ্যমে তাঁর নামে আবাস যোজনার একটি বাড়ি বরাদ্দ হয়েছিল। ইটের দেওয়ালও তোলা হয়েছিল, কিন্তু অভিযোগ, প্রকল্পের সম্পূর্ণ অর্থ না পাওয়ায় বাড়ির কাজ শেষ করতে পারেননি। বাধ্য হয়ে অসমাপ্ত পাকা বাড়ির বদলে পুরনো মাটির ঘরেই থাকতে হচ্ছিল তাঁদের।

স্থানীয় এক বাসিন্দার বক্তব্য, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে মাটির ঘরের ভিত আলগা হয়ে যায়। সেই কারণেই গভীর রাতে বাড়িটি ভেঙে পড়ে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, আগের সরকারের আমলে আবাস যোজনার ঘর বরাদ্দ হলেও সম্পূর্ণ অর্থ না পাওয়ায় গৌড় মালিক বাড়ির নির্মাণ শেষ করতে পারেননি। কয়েক মাস আগে একটি কিস্তির টাকা পেলেও তা দিয়ে সামান্য কাজই এগিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নতুন পাকা ঘরে ওঠা আর হল না।অসমাপ্ত স্বপ্ন নিয়েই মাটির ঘরের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারালেন বাবা ও মেয়ে।

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.