Voice of Eastern India

Birbhum Tulu Mondal: জালে টুলুর ম্যানেজার, উদ্ধার ডায়েরি, সেখানে মিলল কাদের নাম? রয়েছে টাকার হিসেবও, কী জানাচ্ছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা


বীরভূম : টুলু মণ্ডলের এক ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল রাতে গ্রেফতার করা হয় সীতেশ প্রামাণিক নামে টুলু মণ্ডলের এক ম্যানেজারকে। মূলত ক্রিমিনাল সিন্ডিকেট দেখভালের দায়িত্ব ছিল এই সীতেশের ওপর। ক্রিমিনাল সিন্ডিকেটের লিয়াজোঁ হত টুলু মণ্ডলের এই ম্যানেজারের মাধ্যমেই। 

টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তে এবার নতুন মোড়। পুলিশ সূত্রে দাবি, টুলুর সংস্থার ম্য়ানেজার গ্রেফতার হওয়া সীতেশ প্রামাণিকের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি ডায়েরি, যেখানে সরকারি আধিকারিকদের নাম ও টাকার হিসেব লেখা রয়েছে। এটা কি বখরা ভাগাভাগির হিসেব? খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই টুলুর কোটি কোটি টাকার গয়নার ছবি সামনে এসেছে। প্রাসাদোপম বাড়ির ছবি সামনে এসেছে। একরের পর একর জুড়ে থাকা পার্কিং লটের ছবি সামনে এসেছে। ২০০ কোটি টাকার সম্পত্তির হিসেব রাজ্য়বাসীকে চমকে দিয়েছে।                      

কোটি কোটি টাকার রক্ত-প্লাজমা ভিনরাজ্যে বিক্রির অভিযোগ, কলকাতার ব্লাড ব্যাঙ্কে ঝুলল তালা, আরেক ব্লাড ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে তলব স্বাস্থ্যভবনে

শুধু এসবের সঙ্গে যার নাম জড়িয়ে রয়েছে, বীরভূমের সেই পাথর-সম্রাট, নাজিবুদ্দিন মণ্ডল ওরফে টুলু এখনও অধরা। কিন্তু, কাদের মদতে টুলু মণ্ডলের এই দাপট এই প্রতিপত্তি হয়েছিল, তা নিয়ে এবার তদন্তে সামনে এল গুরুত্বপূর্ণ সূত্র। পুলিশ সূত্রে দাবি, হদিশ মিলেছে একটি ডায়েরির, যেখানে সরকারি আধিকারিকদের নাম এবং টাকার হিসেব লেখা রয়েছে। রবিবার গ্রেফতার করা হয়েছে, টুলু মণ্ডলের ক্রাশার ইউনিটের ম্যানেজার সীতেশ প্রামাণিককে। পুলিশ সূত্রে দাবি, এই সীতেশ প্রামাণিকের কাছ থেকেই উদ্ধার হয়েছে একটি ডায়েরি, যেখানে একাধিক সরকারি আধিকারিকের নামও রয়েছে। 

তদন্তে ইতিমধ্য়েই সামনে এসেছে, সরকারের রাজস্ব চুরি করে, শয়ে শয়ে কোটি টাকার সম্পত্তি করেছিলেন টুলু মণ্ডল। যা প্রশাসনের একাংশের মদত ছাড়া সম্ভব নয়। পুলিশ সূত্রে দাবি, উদ্ধার হওয়া ডায়েরিতেও অনেক সরকারি আধিকারিকের নাম এবং টাকার হিসেব লেখা রয়েছে। তাহলে কি এটাই সেই বখরা ভাগাভাগির হিসেব? বিষয়টা কি স্রেফ সরকারি আধিকারিকে সীমাবদ্ধ? প্রশাসনের শীর্ষস্তরও কি জেনেশুনে চুপ করে ছিল? থাকলে কেন? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিতে, টুলু মণ্ডলের অন্য়তম হাতিয়ার ছিল DCR-এর ডুপ্লিকেট কপি। টোল গেটের এক কর্মী দাবি করেছিলেন, DCR-এর ডুপ্লিকেট দেখেও ব্য়বস্থা নিত না পুলিশ। শেষ অবধি তদন্তে আর কী কী সামনে আসবে? সেটাই দেখার। 

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.