Halisahar Police Suspend: হালিশহরকাণ্ডে কড়া পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর, সাসপেন্ড-ক্লোজ ২ পুলিশকর্মী, উঠেছে ভয়ঙ্কর অভিযোগ
কলকাতা: হালিশহর থানার হেফাজতে থাকাকালীন অসুস্থ হয়ে মৃত্যু তৃণমূল কর্মীর। মৃত বিরজু কেওত কাচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান ও তৃণমূল নেতা কমল অধিকারীর ছায়াসঙ্গী বলে এলাকায় পরিচিত। এদিকে, পুলিশের বিরুদ্ধে লকআপে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ তুলল পরিবার। এই প্রেক্ষাপটে রবিবার মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে হালিশহর যান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু, হালিশহরকাণ্ডে কড়া পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর। IO ফিরোজ মালিক সাসপেন্ড, ক্লোজ করা হয়েছে IC তমাল দত্তকে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘পুলিশি হেফাজতে শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ তুলেছে মৃতের পরিবার। পুলিশি হেফাজতে মারা গেছেন, এটা সত্যি। কতটা অত্যাচার হয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে বোঝা যাবে। পুলিশের গাফিলতি প্রমাণিত, IO সাসপেন্ড, IC-কে ক্লোজ করা হয়েছে’, হালিশহরে মৃত তৃণমূলকর্মীর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
মৃত তৃণমূলকর্মীর নাম, বিরজু কেওত। তিনি কাঁচরাপাড়া পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জিনি শর্মার স্বামী। পাশাপাশি, প্রাক্তন পুরপ্রধান ও তৃণমূল নেতা কমল অধিকারীর ছায়াসঙ্গী বলে পরিচিত ছিলেন বিরজু। তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে শুক্রবার ওই তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করে হালিশহর থানা। পুলিশ সূত্রে দাবি, শনিবার ভোরে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওত। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে কল্যাণীর JNM হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশের বিরুদ্ধে হেফাজতে পিটিয়ে মারার অভিযোগ তুলেছে মৃত তৃণমূলকর্মীর পরিবার।
মৃতের স্ত্রীকে আমার অ্যাটেন্ডেন্ট হিসেবে চাকরি, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। ‘মৃতের পরিবারকে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ১০ লক্ষ টাকার চেক’, হালিশহরের মৃত তৃণমূল কর্মীর পাশে থাকার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর।
