Voice of Eastern India

Humayun Kabir: হুমায়ুন কবীর মুখ খুললেই ‘গরমাগরম’ মন্তব্য় ! কিন্তু আজ তিনি কাঁদছেন, কেন ? আগে কাদের কী হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ?


কলকাতা: ‘চোখে অটোমেটিক জল আসছে, আমি পারলাম না, আমি অসহায়…কী করব!’ হুমায়ুন কবীর মুখ খোলা মানেই ছিল হুমকি, হুঁশিয়ারি, বিতর্ক! কয়েকদিন আগে অবধিও তাঁর গরমাগরম মন্তব্য়ে সরগরম ছিল রাজ্য় রাজনীতি। কিন্তু রেজিনগরে উপনির্বাচনের একদিন পর এখন কেঁদে ভাসাচ্ছেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির সভাপতি ও নওদার বিধায়ক। এখন প্রশ্ন, একদিনেই কীভাবে বদলে গেল পরিস্থিতি? আর এই প্রেক্ষাপটে ফের একবার সামনে চলে এসেছে অতীতে তাঁর দেওয়া একাধিক হুমকি হুঁশিয়ারি ও বেলাগাম মন্তব্য। 

এতদিন হুমায়ুন কবীর মানেই ছিল বেলাগাম! হুমকি, হুঁশিয়ারি দিতে তিনি কোনওদিনই পিছপা হন না। কিন্তু আজ তাঁর মুখ থেকেই শোনা যাচ্ছে রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কথা। পূর্বে এমন বহু মন্তব্য তিনি করেছেন যা নিয়ে বিতর্কের জল বহুদূর গড়িয়েছে। তখন তিনি তৃণমূল বিধায়ক। বিরোধীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছিলেন, ”তোমরা হাতির পাঁচ পা দেখেছ? কিন্তু যদি ভেবে থাক যে, ৩০% লোক মুর্শিদাবাদ জেলায় আর আমরা ৭০%। দু’ঘণ্টার মধ্যে তোমাদের যদি ভাগীরথীর গঙ্গায় না ফেলতে পারি রাজনীতি থেকে সরে যাব।”

বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন হুমায়ুন কবীরকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ”বিজেপি সরকারে আসবে, চ্যাংদোলা করে তুলে রাস্তায় ফেলব।” এই মন্তব্যের পাল্টা দিয়ে হুমায়ুন কবীর বলেছিলেন, ”সে যদি আমাকে তুলে ফেলতে পারে, আমিও তাকে ঠুসো দিতে পারি।” 

তবে এই ধরনের বিতর্কিত মন্তব্য পালাবদলের পরও শোনা গিয়েছে তাঁর মুখ থেকে। গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর গত ৮ মে শক্তিপুরের একটি কর্মিসভা থেকে পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিতে শোনা যায় তাঁকে। যা নিয়ে বিতর্কের ঝড় একেবারে তুঙ্গে পৌছে যায়। তিনি বলেছিলেন, ”এই শক্তিপুরের OC-কে। এ *$#@## বাচ্চা, মানুষের বাচ্চা না। এ একদম হারামখোর, একদম বেইমান, একদম সাম্প্রদায়িক লোক।” এই বিতর্কিত মন্তব্যের পরও হুমায়ুন কবীর কোনওদিন নিজের অবস্থান থেকে নড়েননি। এমনকী, কিছুদিন আগে তো ভোটে জিতে অমিত শাহর কাছে চলে যাওয়ার ভবিষ্য়দ্বাণী অবধি করে দিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, ”রেজিনগরে আমরাই জিতব। জিতে চলে যাব দিল্লি। অমিত শাহর পায়ে হাত দিয়ে, শেষে বাপ-বেটায় চলে যাব। একদম সারেন্ডার করে দেব।”

হুমায়ুনের কান্না নিয়ে রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, ”হুমায়ুন কবীরকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। ও বিধানসভায় রাখার প্রোডাক্টই নয়। ওকে কোথায় রাখা উচিত সেটা সরকার ভেবে দেখবে। তবে মানুষ ওকে বিধায়ক হিসেবে দেখতে চাইছে না।”

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.