Voice of Eastern India

Trinamool Party Office: যাত্রী প্রতীক্ষালয় দখল করে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের অভিযোগ, বিক্ষোভ মালদার মোকদমপুরে


সোমক লাহিড়ী, মালদা: একটি যাত্রী প্রতীক্ষালয় দখল করে সেখানে তৃণমূলের পার্টি অফিস তৈরি করার অভিযোগ। ঘটনা মালদার চাঁচলের মোকদমপুর এলাকার। সেখানে প্রায় ৫০ বছরের পুরনো একটি যাত্রী প্রতীক্ষালয় দখল করে সেখানে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় তৈরি করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, তৃণমূল পরিচালিত চাঁচল ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অঞ্জনা সাহার ছেলে অশোক সাহার উদ্যোগে এই পার্টি অফিস তৈরি করা হয়েছে। অবৈধ পার্টি অফিস সরিয়ে পুনরায় যাত্রী প্রতীক্ষালয় ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভে সামিল হন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থও হয়েছেন তাঁরা।         

আরও পড়ুন: বাড়ছে মিড ডে মিলের বরাদ্দ, ‘হাই কোয়ালিটির খাবার দেওয়া হবে’, বলছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক দশক আগে সাধারণ যাত্রীদের সুবিধার জন্য রাস্তার ধারে ওই প্রতীক্ষালয়টি তৈরি করা হয়েছিল। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রায় দুই বছর আগে সেটি দখল করে সেখানে একটি পাকা নির্মাণ করা হয়, যা বর্তমানে তৃণমূলের পার্টি অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।           

অভিযোগকারী দাবি, দিনের অধিকাংশ সময় ওই পার্টি অফিসে তালা ঝোলে। যদিও সন্ধ্যার পর সেখানে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের আনাগোনা শুরু হয়। তাঁদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের সম্পত্তি দখল করে দলীয় কার্যালয় গড়ে তোলা হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় মানুষজন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অবিলম্বে ওই নির্মাণ ভেঙে পুনরায় যাত্রী প্রতীক্ষালয় তৈরি করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।           

আরও পড়ুন: শহরে ফের টাকার পাহাড়, উদ্ধার ২ কোটির বেশি টাকা, হাওয়ালার কারবার, দাবি পুলিশের

অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চাঁচল ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অঞ্জনা সাহার ছেলে অশোক সাহা। তাঁর দাবি, এটি তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় নয়। সিভিক ভলেন্টিয়ারদের বসার জন্যই ওই ঘরটি তৈরি করা হয়েছে।

মালদা উত্তর বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অভিষেক সিংহানিয়া অভিযোগ করে বলেন, তৃণমূলের আমলে সরকারি সম্পত্তিও দলীয় সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে। প্রশাসনের কাছে তাঁর দাবি, অবিলম্বে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে যাত্রী প্রতীক্ষালয় ফিরিয়ে দেওয়া হোক এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। চাঁচল মহকুমা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.