Voice of Eastern India

Debraj Chakraborty | দেবরাজের বিরুদ্ধে ২৫৬ পাতার চার্জশিট পেশ করল পুলিশ | #abpananda


 

ABP Ananda LIVE : দেবরাজের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়। তোলাবাজি তো বটেই, আবার সেই টাকা দিতে দেরি হলে পড়ত ক্ষতিপূরণ। দিতে হত জরিমানা। এবার বিধাননগর পুরনিগমের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ করলেন হাওড়ার এক ব্যবসায়ী। নাম বিনয় কুমার সিং। কী অভিযোগ করেছেন তিনি? ব্যবসায়ীর দাবি, VIP রোডে একটি বহুতল ভেঙে লোহা বিক্রির বরাত পান। মালিক পক্ষের সঙ্গেও কথা বার্তা সম্পূর্ণ হয়ে যায় ওই ব্যবসায়ীর। তারপরই সেখানে ‘এন্ট্রি’ দেবরাজ ও তাঁর দলবলের। ব্যবসায়ী বলেন, “দেবরাজদা ২৫০ জন ছেলে নিয়ে এসে কাজ বন্ধ করে দেন। ১ কোটি টাকা তোলা চান। দুই কিস্তিতে ৫০ লক্ষ টাকা দিই। কিন্তু তারপরই তোলার পরিমাণ বেড়ে যায়।” এবার এই মামলায় দেবরাজের বিরুদ্ধে ২৫৬ পাতার চার্জশিট দিল পুলিশ।

লটারির কোটি টাকা ‘আত্মসাৎ’ মামলায় Nirmal Ghosh-এর হেফাজত

দিনের পর দিন গা-ঢাকা। অবশেষে ওড়িশা থেকে গ্রেফতার করা হল পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষকে। আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় জোর করে নির্যাতিতার দেহ সৎকারের অভিযোগ ওঠে নির্মল ঘোষ-সহ তিন জনের বিরুদ্ধে। সোমবার উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ থানায় FIR দায়ের করেন নির্যাতিত চিকিৎসক-ছাত্রীর বাবা। এবার সেই FIR-এর ভিত্তিতে নির্মলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত রবিবার আরজি করের ধর্ষিত এবং মৃত চিকিৎসক-ছাত্রীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে আয়োজন হয়েছিল একটি স্মরণসভার। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। ওই স্মরণসভা থেকে আরজি করের ঘটনায় পৃথকভাবে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটকে পৃথকভাবে তদন্তের নির্দেশ দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “CBI মূল মামলা ও হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করেছে। তবে একটি জায়গা আছে, যেখানে তদন্ত করা যেতে পারে। তা হল শ্মশানঘাট।” এরপরেই সোমবার পানিহাটির তৎকালীন বিধায়ক নির্মল, মৃতার বাড়ির এলাকার কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দায়ের হয় FIR। নির্মল ঘোষের গ্রেফতারির, ‘প্রশাসনেই ভরসা’ পরিবারের। বৃহস্পতিবার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের পুত্রবধূ দীপান্বিতা ঘোষ বলেন, “বাবা কোথায় ছিলেন জানি না। এতদিন উনি আমাদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ রাখেননি। আমরাও আজই জানতে পারলাম, ওনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রশাসনের উপর আস্থা রয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা রয়েছে। বাবা তো প্রথম থেকেই তদন্তে সহযোগিতা করেছেন।” উল্লেখ্য, নির্মল ঘোষের গ্রেফতারির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পুলিশের জালে এই মামলার আরও এক অভিযুক্ত তথা নির্যাতিতার প্রতিবেশী তথা প্রাক্তন CPIM কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়। তবে এখনও অধরা রয়েছেন আরেক কাউন্সিলর সোমনাথ দে

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.