পশ্চিম মেদিনীপুর: ফের বাংলার বুকে ঘটে গেল নৃশংস হত্যার ঘটনা। মামার বাড়িতে দিদা-নাতির সম্পর্কে ফাটল ধরতেই রাগের চোটে দিদাকে এলোপাথাড়ি কোপ নাতির। বাধা দিতে গিয়ে গুরুতর যখন হন মামা ও মাসি। তড়িঘড়ি তাঁদের ভর্তি করা হয় বাঁকুড়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। ঘটনার জেরে শোরগোল পরে যায় গোটা এলাকায়।
নাতির কাটারির কোপে মৃত্যু হয়েছে দিদার। শুক্রবার রাতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা থানার কপরডাঙ্গা এলাকায়। অভিযুক্ত নাতিকে গ্রেফতার করেছে করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত নাতির নাম সৌরভ দুল। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা থানার কপরডাঙ্গা এলাকায় শুক্রবার রাতে হঠাৎই এলাকার লোকজন চিৎকার চেঁচামেচি শুনতে পান। ছুটে এসে দেখেন, রক্তাক্ত অবস্থায় আভা দুলে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টায় আর্তনাদ করছেন। বাড়ির ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে দিদা নিদ্রা দুলে ও মামা শিবু দুলে। রক্তে ভেসে যাচ্ছিল গোটা ঘর। ঘটনাটি দেখে শিউরে ওঠে এলাকার লোকেরা। তারা তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু দিদা নিদ্রা দুলে ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন অভিযুক্তর মামা ও মাসি।
আরও পড়ুন – দমদমে খুন কুখ্যাত দুষ্কৃতী, পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলিতে ঝাঁঝরা
স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে কপরডাঙ্গা এলাকায় মামা বাড়িতে থাকত সৌরভ দুলে। গতকাল রাতে হঠাৎই পাড়ার লোকজন চিৎকার চেঁচামেচি শুনে বাইরে এসে দেখেন আভা দুলে সাহায্যের জন্য চিৎকার করছেন। বাড়ির ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে নিদ্রা দুলে ও শিবু দুলে। পুলিশ এসে বাড়ি থেকেই দিদা নিদ্রা দুলেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে যায়। আহত মামা শিবু দুলে ও মাসি আভা দুলেকে চিকিৎসার জন্য তৎক্ষণাৎ বাঁকুড়া মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। গড়বেতা থানার পুলিশ আপাতত বাড়িটি সিল করেছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পুরো ঘনাটি সৌরভ ঘটিয়েছেন। আগেও বহুবার কোনও বিষয় নিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি হত, ঝামেলা হত। কিন্তু তার পরিণতিতে যে এটা দেখতে হবে, তা কেউই গুনাক্ষরে ভাবতে পারেননি।
