Voice of Eastern India

Gyanesh Kumar: ‘জ্ঞানেশ কুমারের ফাইল আছে সরকারের কাছে, বিচারপতিদের ঠিকুজি-কুষ্ঠিও’, বললেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী


কলকাতা: জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল গোটা দেশ। বিরোধী থেকে যুবসমাজ, পথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। সেই আবহেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন সুপ্রিম কোর্টের বর্ষীয়ান আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। তাঁর দাবি, জ্ঞানেশের ফাইল রয়েছে সরকারের কাছে। জেলে পাঠানোর ভয় দেখানো হয়েছে তাঁকে। SIR নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই এমন দাবি করলেন প্রশান্ত। তাঁর মন্তব্য ঘিরে শোরগোল প়ড়ে গিয়েছে। বিজেপি বিরোধী শিবিরের নেতানেত্রীরা বেশ কিছু দিন ধরেই এমন মন্তব্য করছিলেন। এবার প্রশান্তর মুখেও সেকথা শোনা গেল। (Prashant Bhushan on Gyanesh Kumar)

SIR নিয়ে ভূরি ভূরি অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে শোরগোল গোটা দেশে। জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবি উঠছে। সেই আবহেই কলকাতায় সায়েন্স সিটিতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রশান্ত। সেখানে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, “প্রতিষ্ঠানগুলি সরকারের হয়ে কাজ করছে। কিন্তু কেন? কারণ সরকার একাধিক উপায় অবলম্বন করছে। প্রতিষ্ঠানগুলির মাথায় এমন লোক বসানো হবে, নির্বাচন কমিশনার থেকে বিচারপতি, উপাচার্য, কম্পট্রোলার অডিটর জেনারেল, পুলিশ প্রধান, এমন সব লোকজনকে বসানো হবে, যারা সরকারের কব্জায় থাকবে।” (Gyanesh Kumar)

আরও পড়ুন: মাঝ আকাশে ইন্ডিগোর বিমানে আগুন, ভয়ঙ্কর অবস্থা, পাওয়ার ব্যাঙ্ক ফেটেই কি বিপত্তি?

নিজের দাবি ব্যাখ্য়া করে প্রশান্ত আরও বলেন, “সবচেয়ে বিপজ্জনক রাস্তা এটা, যাতে ওই ব্যক্তি কব্জা থেকে বেরোতেই পারবে না। এমন লোককে বসিয়ে দাও, যার ঠিকুজি-কুষ্ঠি হাতে থাকবে। অর্থাৎ এমন লোকজনকে বসানো হবে, যে বেআইনি কাজ করবে এবং তার প্রমাণপত্র সরকারের হাতে থাকবে। জ্ঞানেশ কুমার এমনই একটি লোক। কেরলমে ওর বিরুদ্ধে মামলা শুরু হয়েছে। এমন অনেক বিচারপতি নিযুক্ত করা হয়েছে, যাঁদের ঠিকুজি-কুষ্ঠি সরকারের হাতে। বলে দেওয়া হয়, ‘আমাদের কাজ না করলে জেলে থাকতে হবে’।”

আরও পড়ুন: ধ্রুব রাঠী কোন দেশের নাগরিক? ভারতীয় না জার্মান? ছাড়া পেয়েই জবাব দিলেন ইউটিউবার

SIR বিতর্কের মধ্যেই কেরলমে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে। কেরলমের পূর্ত দফতরের সচিব সচিব থাকাকালীন জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ২০০৬ সালে মালয়েশিয়ার ইঞ্জিনিয়ার লি সি বিনের সুইসাইড নোটেও জ্ঞানেশের উল্লেখ ছিল। Indo-Malaysia PATI-BEL যৌথ প্রকল্পে যুক্ত ছিলেন লি। ওই প্রকল্পে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয় বলে অভিযোগ।

 Indo-Malaysia PATI-BEL যৌথ প্রকল্পের আওতায় ২৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক উন্নয়নের কাজ চলছিল। প্রকল্পের চিফ প্রজেক্ট ম্যানেজার ছিলেন লি। নিজের সুইসাইড নোটে জ্ঞানেশের নাম লিখে যান তিনি। সেই সময় তদন্ত গতি পায়নি সেভাবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে বদলি করা হয়েছিল জ্ঞানেশকে। এতদিন পর বিষয়টি নতুন করে খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হল। কংগ্রেস নেতা এম বেণুগোপাল নতুন করে তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন। কলকাতায় এসে প্রশান্ত সেই মামলারই উল্লেখ করেছেন বলে মনে করছেন অনেকে।

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.