কলকাতা: বিধানসভায়(Bidhan Sabha) বলতে ‘বাধা’ দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগে আদালতের দ্বারস্ত হয়েছিলেন কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ(Kunal Ghosh)। কিন্তু এবার হাইকোর্টে(High Court) খারিজ হয়ে গেল কুণাল ঘোষের মামলা। ‘কালীঘাট তৃণমূল’-এর বিধায়কের মামলা খারিজ। আদালতের তরফে বলা হয়েছে যে, ‘আপনি একজন বিধায়ক, যা বলার বিধানসভায় বলুন। এখানে আদালতের কী করার আছে?’ প্রশ্ন বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের। বিল নিয়ে বলার ক্ষেত্রে সুযোগ দেওয়া হয় না, দাবি কুণালের আইনজীবীর। ‘অভিযোগ ঠিক নয়, একাধিকবার বলার সুযোগ পেয়েছেন’, পাল্টা সওয়াল করেছেন স্পিকারের আইনজীবীর।
এদিকে, দিল্লিতে একদিকে যখন এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে NCPI সাংসদদের প্রাতঃরাশ বৈঠক হয়েছে, তখন কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ঋতব্রত তৃণমূলের সদস্যরা। যা নিয়ে কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছেন কুণাল ঘোষ। সেটিং তত্ত্ব তুলে এনেছেন তিনি। বেলেঘাটার বিধায়ক বলেন, ‘বিধানসভা থেকে বিজেপির বি টিম নাম্বার ২, গদ্দার, তাঁরা যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। বিজেপির দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছে। রাজনৈতিক সঙ্কট বেরোতে হবে।বাইরে এক কথা বলছেন, ভিতরে কিন্তু অন্য কথা বলছেন।..তাঁরা নাকি সমস্যা নিয়ে কথা বলবেন, ..আরে সমস্যা নিয়ে বিধানসভায় একদিন বললেন না, তার জন্য নবান্ন যেতে হয় !’
উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুরে SIR-সহ নানা বিষয়ে, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন, ঋতব্রত-তৃণমূলের ১৩ জনের প্রতিনিধি দল। যার মধ্যে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায় ও অরূপ রায় ছাড়া বাকি ১১ জনই সংখ্য়ালঘু বিধায়ক।কালীঘাটের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করা ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের বিরুদ্ধে শোনা গেল বিগত তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে চড়া সুর। বর্তমান সরকারের প্রশংসা। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন,’আমাদের পরিষদীয় দল আমরা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলাম, যে SIR-এ যে ২৭ লক্ষ মানুষের নাম বিচারাধীন রয়েছে, ট্রাইব্রুনালে সেই নিয়ে আমরা কথা বলতে চাই। উনি আমাদের সময় দিয়েছিলেন। যে প্রশাসনিক মুখ্যমন্ত্রী তার সঙ্গে বিরোধী দলনেতা তাঁর কথা হবে, এটা গণতান্ত্রিক দস্তুর। কিন্তু ফ্য়াসিবাদে এটা তো হওয়ার কথা নয়। তো স্বাভাবিকভাবে হয়নি। সেই সরকার থাকলে, সেই সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুললে প্রাণ চলে যেত। হাউসের ভিতরেও কথা বলা যাচ্ছে।’ অন্য়দিকে, ফিরহাদ হাকিম বলেন, আমরা শুনেছি যে বিরোধীদের সাথে সৌজন্যমূলক ব্যবহার সরকারপক্ষের সবসময় থাকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এদিন NCPI সাংসদরা বৈঠক করেন।
