Nadia News: নবদ্বীপে তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে নথি চুরির অভিযোগ, ২ ব্যক্তিকে হাতেনাতে ধরলেন স্থানীয়রা
প্রদ্যোৎ সরকার, নদিয়া: নদিয়ার নবদ্বীপে, তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে নথি চুরির অভিযোগ। দুই ব্যক্তিকে হাতেনাতে ধরলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের ব্যাগ থেকে রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম দীপক মণ্ডল ও মানিক ঘোষ। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, প্রায় প্রতিদিনই খালি ব্যাগ নিয়ে তৃণমূলের এই পার্টি অফিসে আসতেন দুই ব্যক্তি। ব্যাগ ভর্তি করে নথি নিয়ে ফিরতেন তাঁরা।গতকাল সজাগ থেকে তাদেরকে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়।
মালদার চাঁচলে, যাত্রী প্রতীক্ষালয় দখল করে বিলাসবহুল পার্টি অফিস নির্মাণের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঁচলের মোকদমপুরে তৃণমূল পরিচালিত চাঁচল–১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অঞ্জনা সাহার ছেলে অশোক সাহার বিরুদ্ধে উঠল বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ। প্রতীক্ষালয় ফেরতের দাবিতে, বিক্ষোভে সামিল হলেন গ্রামবাসীদের একাংশ। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূলনেত্রীর ছেলে অশোক সাহা। তাঁর দাবি, এটি তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় নয়, সিভিক ভলান্টিয়ারদের বসার জন্যই এই ঘর তৈরি করা হয়েছিল।
রাজ্যে পালাবদলের পর উত্তরবঙ্গ থেকে একটি খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। স্কুলের জায়গা দখল করে তৈরি হয়েছিল যুব তৃণমূলের কার্যালয়। আগামী প্রজন্ম যেখানে তৈরি হওয়ার কথা, সেই বিদ্যালয়ের জায়গা দখল করে এবার যুব তৃণমূলের কার্যালয় গড়ে তোলার অভিযোগ মালদায়। মালদার রতুয়া দুই নম্বর ব্লকের অন্তর্গত শ্রীপুর দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কুমারগঞ্জ এলাকার। জানা গিয়েছে স্থানীয় কুমারগঞ্জ নিম্ন বুনিয়াদি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২৭ শতক জায়গা দখল করে তৈরি করা হয়েছে এই অবৈধ নির্মাণ।
স্থানীয় সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে যে সেখানকার নেতৃত্বরা যুব তৃণমূলের কার্যালয় তৈরি করেই ক্ষান্ত থাকেননি। সেই বিদ্যালয়ের মধ্যে তৈরি করা হয়েছে একাধিক দোকানঘরও। সেই সব দোকান ভাড়াও দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, এই সব কিছুর পিছনে রয়েছেন এলাকারই তৃণমূল নেতা মহম্মদ আলি। স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছিলেন, পূর্বতন সরকারের আমলে এই বিষয়ে বিআর ও জেলার ডিআই অফিসে অভিযোগ জানালেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আর এবার সরকার পরিবর্তন হতেই ওই অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে প্রশাসনের দ্বারস্থ স্থানীয় এক তৃণমূল নেতাই। তৃণমূল পরিচালিত শ্রীপুর দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আনিকুল হক এই অবৈধ নির্মাণের বিষয়ে দ্বারস্থ হয়েছেন জেলাশাসকের। এমনকি বুলডোজার দিয়ে ওই অবৈধ নির্মাণ গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবিও করেছিলেন তিনি।
