Voice of Eastern India

Nirmal Ghosh Arrested On RG Kar Case: “এমন কোনও মৃত্যু নেই, যে সেই পরিবারের পাশে গিয়ে আমার বাবা দাঁড়াননি, অভয়ার বেলাতেও তাই..”, দাবি নির্মল কন্যার


কলকাতা: অভয়াকাণ্ডে গ্রেফতার পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। তড়িঘড়ি প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে নিহত চিকিৎসকের দেহ সৎকারের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। নির্মল ঘোষের গ্রেফতারির পর এবার এবিপি আনন্দ-এর মুখোমুখি তাঁর মেয়ে

আরও পড়ুন, “ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে আটকাচ্ছে কে ? “, RG Kar কাণ্ডে নির্মল ঘোষের গ্রেফতারিতে বড় প্রশ্ন চিকিৎসক অনিকেত-আসফাকুল্লার

এবিপি আনন্দ : এই কদিন নির্মল ঘোষকে পাওয়া যাচ্ছিল না, তিনি কোথায় ছিলেন ?

 নির্মল ঘোষের মেয়ে: দেখুন সত্যি কথা বলতে, আমরা কেউ জানতাম না, উনি কোথায় ছিলেন , বিগত ২ মাস ধরেই উনি বাড়িতে ছিলেন না। ওনার তো অনেক কনট্যাক্টস। উনি কলকাতায় গিয়েছিলেন, ওই একদিনই ওনাকে দেখা গিয়েছিল। আমরাও দেখেছিলাম। মিডিয়াতেই আমরা দেখেছি। আমাদের বাড়িতে উনি ছিলেন না। মিডিয়াতে আমরা দেখেছি, এবং ওখান থেকে উনি কোথায় ছিলেন , কোথায় কী করেছেন, সত্যি কিছু জানি না। সেটা আমাদের কাছে পুলিশ বারংবার এসে জিজ্ঞেস করেছে। ..আমরা সত্যিই কিছু জানতাম না। 

এবিপি আনন্দ : তড়িঘড়ি প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে নিহত চিকিৎসকের দেহ সৎকারের অভিযোগ রয়েছে নির্মল ঘোষের বিরুদ্ধে, লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন অভয়ার বাবা। কেন এইরকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ? অভিযোগ পত্রে নির্মল ঘোষের নাম ১ নম্বরে রয়েছে ..

নির্মল ঘোষের মেয়ে: দেখুন নির্মল ঘোষ বিধায়ক (প্রাক্তন বিধায়ক) (তৎকালীন সময়ের বর্ণনা দিতে গিয়ে), যেকোনো আনন্যাচেরাল ডেথ, যেকোনও কারও বাড়ির কোনও সমস্যা, এরকম অনেক মৃত্যুই তো পানিহাটিতে হয়েছে। এমন কোনও মৃত্যু নেই, যে সেই পরিবারের পাশে গিয়ে আমার বাবা দাঁড়াননি।ঠিক অভয়ার বেলাতেও তাই। 

এবিপি আনন্দ :যখন সৎকারের জন্য নিয়ে হবে, তখন পরিবারের সদস্যদের সই, কনসার্ন নেওয়া কি জরুরি নয় ? 

নির্মল ঘোষের মেয়ে: এইবিষয়টা যেহেতু সিবিআই-র আওতায় রয়েছে, তাঁরা সেটা তদন্ত করবে। এখন সিপি সাহেবকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছে, তাঁরা সেটা তদন্ত করবে। এই বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না, কে সই করেছে, কে সই করেনি..

এবিপি আনন্দ : বেআইনি হল না এটা ?

 নির্মল ঘোষের মেয়ে: আমি বলতে পারব না। কোন আইন আর কোনটা বেআইন, তাঁরা বলতে পারবে। এই এফআইআর করাটা কতটা আইনি সেটাই তো আমি জানি না। 

এবিপি আনন্দ :অভয়ার মা-বাবা বলেছেন, সৎকারের আগে যে নিয়ম রীতি ছিল, সেগুলিও তাঁরা করতে পারেননি, তথ্যপ্রদানকারী হিসেবে নাম ছিল সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের।

 নির্মল ঘোষের মেয়ে: কার নাম ছিল, ওসব তো আমার জানার কথা না। আমি একবারেই তো বলেদিলাম। ..সেখানে কী হয়েছিল, আমরা তো সেখানে ছিলাম না, বাইরে শুনে এভাবে উত্তর দেওয়া…

এবিপি আনন্দ : পুলিশ এসেছে যখন, আপনাদের কিছু বলেনি ?

নির্মল ঘোষের মেয়ে:  না , কিছু বলেনি। অভয়ার বিষয় নিয়ে  আমাদের কোনও কথা জিজ্ঞেস করা হয়নি। আমার বাবাকে, যেখানে তদন্ত হচ্ছে, সেই ডিপার্টমেন্টে, ওখান থেকে ডাকা হয়েছিল, তাঁকে সমস্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। ৩ বার করে ডাকা হয়েছিল। তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন। 

এবিপি আনন্দ : শ্মশানে আরও অপেক্ষারত মৃতদেহ ছিল, তারপরেও অভয়ার দেহ আগে নিয়ে চলে যাওয়া হয়েছে, লিখিত অভিযোগ হয়েছে। 

 নির্মল ঘোষের মেয়ে: বলতে পারবো না..

এবিপি আনন্দ : এত তাড়াহুড়ো, ভিআইপি ট্রিটমেন্ট কেন ছিল ?

 নির্মল ঘোষের মেয়ে: ভিআইপি ট্রিটমেন্ট তো বললাম আমি..পুলিশে পুরো ঘেরা ছিল। ..

এবিপি আনন্দ : তখন তো যে দলের তিনি বিধায়ক ছিলেন, সেই দলেরই তো পুলিশ ছিল।

 নির্মল ঘোষের মেয়ে: শুধু সেই দলের নয়, সব দলেরই লোক ছিল সেখানে। 

এবিপি আনন্দ : এই গ্রেফতারির পরিপ্রেক্ষিতে কী বলবেন আপনি ?

 নির্মল ঘোষের মেয়ে: দেখুন , ..মনে হয়েছে যে ওনাকে গ্রেফতার করা উচিত, গ্রেফতার হয়েছেন, আইনি যা, আইনি যা নিয়ম রীতি আছে, আমরা সেভাবেই এগোব। তারপর যেটা হয়, সেটা মাথা পেতে নেবো। 

এবিপি আনন্দ : মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন যে, উনি সম্পূর্ণ কমিটেড। তার যা এক্তিয়ার রয়েছে, সেই অনুযায়ী তিনি কমিটেড। এবং এই অভয়া কাণ্ডের যাতে বিচার হয়, সেজন্য মানুষ তাঁদের পাশে থেকেছেন বলে, তিনি সিপিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

 নির্মল ঘোষের মেয়ে: আমি তো সেটাই চাই। মুখ্যমন্ত্রী তো আমাদের সবারই মুখ্যমন্ত্রী। আমরাও এটা চাই, আমরাও একটা পরিবার। সব পরিবারের উপর যদি ওনার দৃষ্টিভঙ্গি থাকে, তাহলে আমার পরিবারের প্রতিও একটা দৃষ্টিভঙ্গি রাখা উচিত। আমরাও যেন সুস্থ্যসবলভাবে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারি, সেটা দেখাটাও ওনার..।

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.