North 24 Pargana: টানা বৃষ্টির জের, ইছামতি নদীর উপর বাঁশের সাঁকো ভেঙে বিপত্তি, স্বরূপনগরে নাজেহাল এলাকাবাসী
সমীরণ পাল, স্বরূপনগর: ইছামতি নদীর উপর বাঁশের সাঁকো ভেঙে বিপত্তি, লক্ষ লক্ষ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হল। প্রায় ৩০ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হবে ছাত্র-ছাত্রী, অসুস্থ রোগী থেকে শুরু করে কৃষক ও সাধারণ মানুষের বিপত্তি।
স্বরুপনগরের ইছামতি নদীর উপর দিয়ে গিয়েছে একটি বাঁশের সাঁকো। ইছামতি নদীর একদিকে টিপি আর একদিকে কাটাবাগান। এই দুটো এলাকার সংযোগ করেছে এই বাঁশের সাঁকো। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এর ওপর দিয়ে যাতায়াত করেন। তাদের মধ্য়ে রয়েছে ছাত্র-ছাত্রী, অসুস্থ রোগী, কৃষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, অফিস যাত্রী। প্রত্যেকেরই নিত্যদিনের যাতায়াতের এটাই অন্য়তম মাধ্যম। যাতায়াত করে এই সেতুর ওপর দিয়ে । কিন্তু সেই বাঁশের সাঁকো মঙ্গলবার সকালে কচুরিপানার চাপে ভেঙে যায়। সমস্যায় পড়েছে দুই পাড়ের অসংখ্য মানুষ। এলাকার মানুষের অভিযোগ তৃণমূল সরকারের আমল থেকে এখানে কংক্রিট সেতুর দাবি করছে এলাকার মানুষ। কিন্তু কোনরকম সমস্যার সমাধান হয়নি. শুধু আশ্বাস মিলেছে।
এদিকে, গত দুদিন ধরে একটানা বৃষ্টির ফলে দারকেশ্বর নদীর কেজাকুড়া সেতু জলের তলায় চলে গিয়েছে। এর ফলে চরম সমস্যায় দুই পাড়ের বাসিন্দারা। কেঞ্জাকুড়া থেকে অতি সহজে কমলপুর হয়ে হয়ে পুরুলিয়া যাওয়ার একমাত্র রাস্তা। নদীর অপর প্রান্ত থেকে কেজাকুরা গ্রামে আসতে সেতু দিয়ে অতি সহজেই দু’কিলোমিটার এর মধ্যে পৌঁছে যাওয়া যায়। নইলে তাদের ১৫ কিলোমিটার গুর পথে ঘুরে আসতে হয়।
দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টির ফলে অনেক জায়গায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। বাঁকুড়ার উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে গন্ধেশ্বরী নদী। আর তার উপর রয়েছে মানকানালী সেতু। এই সেতুর উপর দিয়েই গিয়েছে বাঁকুড়া থেকে মানকানালী হয়ে রানিগঞ্জ যাওয়ার রাস্তা। আর সেই গন্ধেশ্বরী নদীতে জল বাড়ার কারণে তা উঠে যায় সেতুর উপরও। আর এর ফলেই সেতুর উপর দিয়ে যাওয়ার সময় উল্টে যায় একটি ডাম্পার। জানা গিয়েছে বর্তমানে বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে গন্ধেশ্বরী নদী। আর সেতু ছাপিয়ে জল উঠে যাওয়ার আপাতত বন্ধ রয়েছে মানকানালী সেতু দিয়ে যাতায়াত। এর ফলে সমস্যার পড়েছে স্থানীয় মানুষ ও ওই সেতুর উপর দিয়ে চলাচল করে যে সব বাস ও ট্রাক, তারা। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই মানকানালী সেতুর উপর দিয়ে ৭ টি যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে। এ ছাড়াও চলাচল করে ডাম্পার ও ট্রাক। টানা বৃষ্টির চোটে জলমগ্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পুরুলিয়া জেলার একাধিক এলাকায়। এরই মধ্যে তীব্র স্রোতের কারণে ভেসে গেলেন এক বাইক চালক। মঙ্গলবার সকালে সাতুড়ি থানার অন্তর্গত সুভাষ রোডের উপর কোটালডি রেলগেটের কাছে জলের তোড়ে বাইক সহ ভেসে গিয়েছিলেন ওই বাইক চালক। রাস্তার উপর দিয়ে প্রবল তোড়ে জল বইছিল। আর সেই জলের টানেই ভেসে গিয়েছিলেন তিনি।
