Voice of Eastern India

SC On Delhi Police Lathi Charge: “মানুষজন বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বলেই পুলিশ লাঠিচার্জ করতে পারে না..”, যন্তর মন্তরে পুলিশের লাঠিচার্জ নিয়ে পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের


অর্ণব মুখোপাধ্যায়, কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, কলকাতা: সংবিধান শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত প্রতিবাদের অধিকার দিয়েছে। মানুষজন বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বলেই পুলিশ লাঠিচার্জ করতে পারে না। যন্তর মন্তরে পুলিশের লাঠিচার্জ নিয়ে মামলার শুনানির আগের দিন পর্যবেক্ষণে এমনটাই জানাল সুপ্রিম কোর্ট। 

আরও পড়ুন, বঙ্গোসাগরে অতি গভীর নিম্নচাপ, ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে ধেয়ে আসতে পারে ঝোড়ো হাওয়া, অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সর্তকতা এবার দক্ষিণবঙ্গে

কখনও ডাক্তারির সর্বভারতীয় প্রবেশিকার প্রশ্নপত্র ফাঁস। তো কখনও দেশের নানা প্রান্তে সরকারি চাকরির প্রশ্নপত্র ফাঁস। এই সব ক্ষোভই আছড়ে পড়েছে যন্তরমন্তরে। আর দিল্লিতে এই প্রতিবাদ চলাকালীনই, আন্দোলনকারীদের ওপর অত্য়াচারের অভিযোগ উঠেছে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে। এদিকে যন্তরমন্তরের জল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, দাঁড়িয়ে থাকা পড়ুয়াকে লাঠি দিয়ে বেধরক মারছে পুলিশ। তবু পুলিশের লাঠির সামনে সে দাঁড়িয়ে রয়েছে অবিচলভাবে।আন্দোলনকারী বলেন, ছোট ছোট স্কুলের বাচ্চারা এসেছে। তাদের মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যখন জিজ্ঞেস করছে ডাক্তার কোথায়? বলছে সামনে এগিয়ে যাও। প্রথমে মারছে, তারপর বলছে ডাক্তার সামনে আছে ওদিকে যাও। 
 
এভাবে পড়ুয়াদের ওপর লাঠিচার্জ করা নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে একাধিক মামলা। যার শুনানি হবে মঙ্গলবার। কিন্তু, তার আগে, সোমবার এই নিয়ে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের তরফে বলা হয়েছে, সংবিধান শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত প্রতিবাদের অধিকার দিয়েছে। বিক্ষোভ হচ্ছে বলেই পুলিশ বলপ্রয়োগ করবে, এর যৌক্তিকতা নেই। মানুষজন বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বলেই পুলিশ লাঠিচার্জ করতে পারে না। এরই পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের এও বক্তব্য,অতিরিক্ত পুলিশি অ্যাকশনের যে কোনো অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে যাচাই করতে হবে।জনসমাবেশ বা বিক্ষোভের ক্ষেত্রে পুলিশের পদক্ষেপ কী হবে, তার জন্য দেশজুড়ে অভিন্ন গাইডলাইন প্রয়োজন।
 
দিল্লির টলস্টয় মার্গে বিক্ষোভকারীদের হাতে পুলিশের আক্রান্ত হওয়ার প্রসঙ্গও এদিন সুপ্রিম কোর্টে ওঠে। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, পুলিশ আধিকারিক ও বিক্ষোভকারী, দু’পক্ষের আহত হওয়ার বিষয়টিই সমান উদ্বেগের। এ ধরনের পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য পুলিশকে কেন পর্যাপ্ত সরঞ্জাম দেওয়া হয়নি, সে বিষয়েও রাজ্যকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে। মঙ্গলবার শুনানিতে দেশের সর্বোচ্চ আদালত কী বলে, সেদিকেই এখন নজর সব মহলের। 

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.