Voice of Eastern India

Sukanta Majumdar on KMC Post Controversy: কলকাতা পুরসভার পুজো-পোস্ট ঘিরে ভাষা বিতর্ক, ‘বাংলার জ্ঞান সীমিত হতেই পারে’, পাল্টা প্রতিক্রিয়া সুকান্তর


কলকাতা: পুজোর আগের শেষ রবিবার, আর সেই রবিবারই কলকাতা পুরসভার এক পোস্টকে কেন্দ্র করেই বিতর্কের ঝড়। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের ভাষা নিয়ে বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে সমালোচনা। কী এমন ছিল সেই পোস্টারে?

দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে কলকাতা পুরসভার দেওয়া বিজ্ঞাপনে লেখা, ‘মায়ের করব স্বচ্ছতা সে স্বাগত’। তলায় লেখা – ১০ থেকে ২১ শে অক্টোবর মা দুর্গাকে বরণ করতে শহরজুড়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান। পুজোর আবহে, কলকাতা পুরসভার এই পোস্ট ঘিরে একাধিক মহলে উঠেছে সমালোচনার ঝড়।

সোশাল মিডিয়ায় একে অস্ত্র করে আক্রমণ শানিয়েছে বিরোধীরা। এক্স হ্যান্ডলে ছবিটি পোস্ট করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘এখন ভাবছি, ছোটবেলায় আমিই কি ভুল বাংলা শিখেছিলাম, নাকি ভাষাটাই এর মধ্যে বদলে গেছে, অথচ তা জানানোর প্রয়োজন মনে করেনি কেউ!’

 

অন্যদিকে, সোশাল মিডিয়ায় এই নিয়ে কটাক্ষ ছুড়ে দেন মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘এটা কী? এটা বাংলা? ইয়ার্কি হচ্ছে? বিজেপি আর কত অপসংস্কৃতি বাংলার ওপরে চাপাবে? বাংলাকে আর কত বিকৃত করবে? পুরসভার এখন যা হাল, এই লেখাটার মতই খারাপ।’

 

আরও পড়ুন:- একদা পুজোয় গমগম করত, আজ কার্যত শ্মশানের নিস্তব্ধতা, খাঁ খাঁ প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির বাড়ির দুর্গামন্দির

শুধু তাই নয়, কলকাতা পুরসভার পুজো-পোস্ট ঘিরে বিজেপির অন্দরেও শুরু হয় সমালোচনা। এ বিষয়ে আরও সচেতনতা অবলম্বন করা উচিত বলে মনে করলেও, সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) দাবি ভুল হতেই পারে। কলকাতা পুরসভা ভোটের ইনচার্জ সুকান্ত বলেন, ‘এই ধরনের কাজের ক্ষেত্রে আমার মনে হয় যারা প্রশাসনের মাথায় বসে রয়েছেন, তাদের আরও সচেতন হওয়া উচিত। হতেই পারেই, প্রশাসক তো আর কী ভাষাভাষি, সেই দেখে হয় না। তারা তো পরীক্ষা দিয়ে আসেন, তাদের বাংলার জ্ঞান সীমিত হতেই পারেই, অসুবিধার কিছু নেই। কিন্তু এই কাজের দায়িত্ব এমন কাউকে দেওয়া উচিত, যারা বাংলাটা ভাল বোঝেন।’ 

সমালোচনার পর অবশ্য রাতের দিকে, এক্স হ্যান্ডলের পেজে আর দেখা যায় না পোস্টটি।

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.