Sumit Roy: সরকারি জমি…প্রাইভেট ল্য়ান্ডে বিক্রি! কীভাবে দুর্নীতি করছেন অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় ?
কলকাতা: জমি-দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুমিত রায়কে তলব করে রাজ্যের গোয়েন্দারা। গত শুক্রবারই নিউ আলিপুরে তাঁর বাড়িতে গিয়ে নোটিস দিয়ে আসেন CID আধিকারিকেরা যাতে তিনি শনিবার হাজিরা দেন। নোটিশ অনুযায়ী হাজিরাও দেন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টা ভবানী ভবনে চলে জিজ্ঞাসাবাদ। ফের রবিবারও হাজিরা দেন তিনি। ২ দফায় শালবনির জমি দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের পর সোমবার ফের অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কে তলব করল CID. এবার তাঁকে ডাকা হল ডেবরায় চাকরির নামে প্রতারণার অভিযোগের মামলায়।
এই জমি দুর্নীতি মামলায় খড়গপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে, মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে। তাঁকে জেরা করে উঠে আসে, সুমিত রায়ের নাম। শালবনির জমি দুর্নীতি মামলায় শনিবার প্রায় ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রবিবার ৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর সোমবার ফের অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কে তলব করল CID। এবার ডাকা হল ডেবরায় চাকরির নামে প্রতারণার অভিযোগের মামলায়। প্রায় ৩ মাস বেপাত্তা থাকার পর, শনিবার প্রথম সামনে আসেন, অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়।
কীভাবে চলত দুর্নীতি ?
শালবনি ও মেদিনীপুর ব্লকে বিস্তীর্ণ সরকারি জমি জালিয়াতি করে বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, এই সরকারি জমির চরিত্র বদলে, প্লট করে, লক্ষ লক্ষ টাকায় বিক্রি করা হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, তৃণমূলের অনেকেই জড়িত এই লাইনে। সঞ্জয় রায় নামে সীতারামপুরের এক বাসিন্দা জানান, ‘এর আগেও তো আমরা চাষবাস করতাম এখানেই। কিন্তু এখন দেখছি যে বড় বড় পেট্রোল পাম্প হয়ে গেছে। এই জায়গাগুলো শুনছি প্রোমোটারদের মাধ্যমে মানে তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তির মাঝে দাঁড়িয়ে গেছে।’ ‘জঙ্গল পুরো একদম পাঁচিল দিয়ে দিয়েছে। জঙ্গলের মধ্যেও পাঁচিল হয়ে গেছে। পাঁচিল দিয়ে দিয়েছে।’ এই ঘটনায় তাঁর নাম জড়ানোর বিষয়ে, শনিবার তথ্য ও নথি তুলে ধরে সুমিত রায়কে প্রশ্ন করেছেন তদন্তকারীরা।
জেরার পর এবিপি আনন্দের মুখোমুখি হয়ে কী জানান সুমিত ?
এবিপি আনন্দ: সরকারি জমি…প্রাইভেট ল্য়ান্ডে বিক্রি করা হয়েছিল…
সুমিত রায়: এরকম কিছু হয়নি। অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। এটুকু আমি বলতে পারি।
সাংবাদিক: আপনি ছিলেন কোথায়?
সুমিত রায়: আমি এদিকে আশেপাশে ছিলাম।
এবিপি আনন্দ: সুজয় হাজরার সঙ্গে আপনার আর্থিক লেনদেন হয়েছিল?
সুমিত রায় : না না না।
এবিপি আনন্দ: সুজয় হাজরার সঙ্গে কোটি কোটি টাকার লেনদেন…?
সুমিত রায়: এরকম কিছু হয়নি।
