Voice of Eastern India

Suvendu Adhikari: ‘যতই ফ্লাইওভার বানান, যতই ভাল ভাল রাস্তা বানান, শিক্ষা ছাড়া কখনও…’, বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর 


কলকাতা: ‘একটা রাজ্য কখনওই শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ ও শিক্ষা ব্যবস্থার মজবুতীকরণ ছাড়া এগোতে পারে না…’, নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে এমন কথাই বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আগের সরকারের নীতি ভুল ছিল, বিগত সরকারের জন্যই বঞ্চনার শিকার শিক্ষাক্ষেত্র (Education)। এ কথাও শোনা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর মুখে। তাঁর কথায়, শিক্ষা ছাড়া কোনও অগ্রগতি সম্ভব নয়।

নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, একটা রাজ্য কখনওই শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ ও শিক্ষা ব্যবস্থার মজবুতীকরণ ছাড়া এগোতে পারে না। কারণ ভারতবর্ষে বাবা সাহেব আম্বেদকর যখন সংবিধান লিখেছিলেন, তখন শিক্ষাকে মৌলিক অধিকারের মধ্যে দিয়েছিলেন। অর্থৎ সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে আমাদের যে মানব সম্পদ তাকে বিকশিত করা এবং একটা পরিপূর্ণ মানুষ তৈরি করার প্রধান জায়গা এই বিদ্যা মন্দির। তাই কোনও সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবহেলা করলে অগ্রগতি ঘটতে পারে না।’ 

এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যতই ফ্লাইওভার বানান, যতই ভাল ভাল রাস্তা বানান, যতই নতুন নতুন বিল্ডিং বানান, শিক্ষা ছাড়া কখনও তা হতে পারে না। আমরা শিক্ষাকে অত্যন্ত অগ্রাধিকার দিয়েছি। উচ্চশিক্ষা দফতরকে আলাদা করেছি আমরা। স্কুল এডুকেশন বিভাগকে আলাদা করেছি। সর্বক্ষেত্রের শিক্ষার অবস্থা ঠিক করার দায়িত্ব নিয়েছি আমরা। শিক্ষা ঠিক করতে গেলে প্রথম দরকার পরিকাঠামোগত উন্নয়ন। দ্বিতীয়ত দরকার, ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা বাড়ানো, স্কুলমুখী করা এবং প্রতিযোগিতার যুগে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার সমতুল্য বা কাছাকাছি নিয়ে যেতে না পারি, তা হলে ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকরা বেসরকারি স্কুলের দিকে তাদের পাঠানোর চেষ্টা করবেন। ২০২৫ সালে ভয়ঙ্কর বিপর্যয় ঘটিয়েছে বিগত রাজ্য সরকার। ২০২৫ সালে OBC সংরক্ষণে জটিলতার জেরে সরকারি কলেজে ভর্তি বন্ধ ছিল। শিক্ষাকে পণ্য হিসাবে ব্যবহারের ষড়যন্ত্র করেছিল আগের সরকার।’

প্রসঙ্গত,  মুখ্যমন্ত্রী এই অর্থবর্ষে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ নিয়ে বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, বাজেটে অর্থমন্ত্রী যে ঘোষণা করেছেন, এই ১২ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগের পরে আরও অন্তত ৩৮ হাজার অর্থাৎ এই অর্থবর্ষে ধাপে ধাপে অত্যন্ত পরিচ্ছন্নতার মধ্য দিয়ে ৫০ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা অর্থাৎ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ করতে পারব। এবং বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষকদের যে অভাব রয়েছে, সেটাও আমরা পূরণ করব।’

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.