কলকাতা: এতদিন মমতা বন্দোপাধ্যায়ের প্রধান রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবস। কিন্তু এবার পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কালীঘাট-তৃণমূল কোথায় শহিদ স্মরণের অনুষ্ঠান করবে এর জল গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। এবার সেখানে বড় রায় দিল আদালত।
‘কালীঘাট তৃণমূলের ২১ জুলাই হবে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে’, শর্ত বেঁধে দিয়ে জানালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। ভিক্টোরিয়া হাউস, এসপ্ল্যানেড ইস্ট এবং ডোরিনা ক্রসিংয়ে সভার অনুমতি দিল না আদালত। এইসব জায়গায় সভার অনুমতি দিলে শহর অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে, মন্তব্য বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর।
আরও পড়ুন, ‘আর দু’দিন দেরি হলে মৃত্যু হতে পারে’, সোনম ওয়াংচুককে বাঁচাতে দিল্লি হাইকোর্টে জরুরি আবেদন
এদিন আদালত জানিয়ে দেয়, সর্বাধিক ২৫০০ হাজার কর্মী -সমর্থক নিয়ে পালন করতে হবে শহিদ দিবস। বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে একদিকের রাস্তা আটকে সভা করতে হবে। পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করতে হবে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি যেন না হয় সেটা দেখবে পুলিশ। বেলা ১২ টা থেকে দুপুর ৩:৩০ পর্যন্ত কর্মসূচি করা যাবে, জানাল কলকাতা হাইকোর্ট।
নির্দেশে আর কী কী বলা হয়েছে?
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, ২০ জন স্বেচ্ছা সেবকের নাম ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে পুলিশকে জানাতে হবে। নির্ধারিত রাস্তা ছাড়া অন্য রাস্তায় যেন মানুষ না যায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে কালীঘাট তৃণমূল এবং পুলিশকে। ২১ জুলাই নিয়ে আমাদের তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে। গোটা শহর অবরুদ্ধ হয়ে পড়ত। হাইকোর্টের কাজকর্ম পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যেত, মন্তব্য বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর।
যদি আগে পুলিশ ৫০ হাজার লোক সামলাত, আর এখন তারা পারছেন না কেন ? সওয়াল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আদালতের অনুমতি নিয়ে আমরা বালিগঞ্জ থেকে হাজরা পর্যন্ত মিছিল করেছি. মহিলাদের পর্যন্ত মারধর করা হয়েছে, আদালতে মন্তব্য বর্ষীয়ান আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
