Voice of Eastern India

TMC Leader Arrest: গ্রেফতার মেদিনীপুরের তৃণমূল কাউন্সিলর সুসময় মুখোপাধ্যায়


পশ্চিম মেদিনীপুর: গ্রেফতার পশ্চিম মেদিনীপুরের তৃণমূল কাউন্সিলর। ধৃত মেদিনীপুরের ১৬নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর। গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর সুসময় মুখোপাধ্যায়। গতকাল তৃণমূল কাউন্সিলরের অফিস থেকে উদ্ধার প্রচুর ভোটার ও আধার কার্ড। পার্টি অফিসের পাশে তালাবন্ধ বাড়ি থেকে উদ্ধার পুরসভার স্টিকার লাগানো প্রচুর ডাস্টবিন। যা উদ্ধারের পর পার্টি অফিসের আসবাবপত্র ও পতাকায় আগুন লাগিয়ে দেয় ক্ষুব্ধ জনতা। পুলিশ গিয়ে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করে। এরপর রাতেই গ্রেফতার করা হয় তৃণমূল কাউন্সিলর সুসময় মুখোপাধ্য়ায়কে। তাঁর বিরুদ্ধে সরকারী সামগ্রী জোরপূর্বক মজুত ও অন্যের বাড়ি জোর করে দখল করার অভিযোগ রয়েছে।

তৃণমূলের বিভিন্ন কাউন্সিলরের অফিস রুম থেকে অনেক কিছুই উদ্ধার হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। ঠিক যেমন কলকাতা পুরসভার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে ত্রাণের প্রচুর জিনিসও। ওই ওয়ার্ড অফিসের চাবি তাঁর কাছে থাকে না বলে দাবি করেছেন কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়।  কলকাতা পুরসভাতেও কি হয়েছে নিয়োগ দুর্নীতি? যোগ্যদের বদলে তালিকা তৈরি করে চাকরি দেওয়া হয়েছে তৃণমূল-ঘনিষ্ঠদের? এমনই জল্পনা উস্কে দিলেন মুকুন্দপুরের বিজেপি কর্মীদের একাংশ। বিজেপির দাবি, কলকাতা পুরসভার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল অফিস থেকে মিলেছে পুরসভায় নিয়োগের খাতাভর্তি তালিকা।মুকুন্দপুর বিজেপি কর্মী বলেন, আমরা এখানে পেয়েছি অনন্যা ব্যানার্জির নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকায় মিটিং হত। সেই মিটিংয়ে একটা তালিকা তৈরি হত যে কারা কারা কাজ পাবে এলাকায়। এখানে যে SWM বিভাগ আর হেলথ ডিপার্টমেন্ট পার্টির ছেলেদের ঢুকিয়েছে সম্পূর্ণ তালিকা এখানে আছে। 

গ্রেফতার তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক
শালবনি ও মেদিনীপুর ব্লকের প্রায় ৩০০ একর সরকারি জমি জালিয়াতি করে বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। যার জন্য প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে। দিগন্ত বিস্তীর্ণ জমি, বড় বড় গাছ। অভিযোগ, এই সরকারি জমির চরিত্র বদলে, প্লট করে, লাখ লাখ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছিল। জমির চারপাশে উঠে গেছে পাঁচিলও। পশ্চিম মেদিনীপুরে শালবনিতে এই জমি জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায়, ৬ জুন গ্রেফতার করা হয় মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে। পুলিশ সূত্রে দাবি, যাঁকে জেরা করেই উঠে এসেছে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের নাম। বিভিন্ন তথ্য় থেকে জানা যায়, সুজয় হাজরা ও সুমিত রায়ের মধ্য়ে কোটি টাকার ওপর আর্থিক লেনদেন হয়েছে।     

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.