Voice of Eastern India

৯ ঘণ্টা পর ইডি হাজিরা দিয়ে বেরলেন মদন মিত্রের ছেলে, আগামিকাল ডাক পড়েছে মদনের স্ত্রী অর্চনা মিত্রের


কলকাতা: ইডি তলব করেছিল আজ। হাজিরাও দিয়েছিলেন মদন মিত্রর ছেলে। অবশেষে প্রায় ৯ ঘণ্টা পর সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের হলেন তিনি। এরপর ডাক পড়েছে মদনের স্ত্রী অর্চনা মিত্র ও তাঁর বড় ছেলে স্বরূপ মিত্ররও।

আরও পড়ুন: এবার থেকে প্রতি মাসে ইলেকট্রিকের বিল, বাধ্যতামূলক নয় স্মার্ট মিটারও; ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

পুর নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে মদন মিত্রর ছোট ছেলে শুভরূপ মিত্রকে ডেকেছিল ইডি। আর সেই কারণেই আজ সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরাও দিয়েছিলেন তিনি। আর সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হওয়ার প্রায় ৯ ঘণ্টা পর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরলেন তিনি।

আজ এবং আগামিকাল এই একই দুর্নীতি কাণ্ডে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে মদন মিত্রর স্ত্রী অর্চনা মিত্রকে। তবে শুধুমাত্র মদনের স্ত্রী ও ছোট ছেলে নয়, ইতিমধ্যেই ব্যাঙ্কের নথি নিয়ে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে মদনের বড় ছেলে স্বরূপ মিত্রকেও।           

আরও পড়ুন: “মার্শাল ও তার বাহিনী মিলে আমাকে ঘিরে ধাক্কা দিতে দিতে চ্যাংদোলা করে বের করে দিল”, ‘ঋতব্রত শিবির’কে আক্রমণ কুণাল ঘোষের

৯ ঘণ্টা ধরে তাঁকে ৩ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেন নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। এই লেনদেন কি পুর নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কি না, সেটাও খতিয়ে দেখছে ইডি। আর এই বিষয়ে জানার জন্যই মদন মিত্রর ছেলেকে ডেকেছিল ইডি। তাঁকে বেশ কিছু নথিও নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। সেই সব নথি নিয়ে এসেছিলেন তিনি। এর সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে যে তথ্য প্রমাণ পেয়েছিলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের গোয়েন্দারা, সেইগুলো মিলিয়ে দেখা হয়েছে বলেও খবর।           

এই বিষয়ে মদন মিত্রকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, যে অভিযোগ করা হচ্ছে যে তিনি বেআইনি চাকরি দিয়েছেন বলে, তা তিনি কখনওই করেননি। এ ছাড়াও তিনি এতো স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি কামারহাটি বিধানসভার বিধায়ক হলেও পুরসভা তাঁর অধীনে ছিল না। তিনি পুরসভার কোনও খাতাপত্র দেখেন না বা নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনও প্রশ্নও করেন না তিনি। ফলে, তাঁর মতে পুরসভায় চাকরি নিয়ে দুর্নীতি করার কোনও ভূমিকা তাঁর থাকার কথা নয়।           

 

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.