Voice of Eastern India

অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি


আবির দত্ত, কলকাতা : জমি-জালিয়াতিকাণ্ডের তদন্তে শালবনি থানার স্ক্য়ানারে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়। এবার এই আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হল। এমনই জানা গেছে পুলিশ সূত্রের। এই জমি জালিয়াতি মামলায় শালবনি থানার পুলিশের তরফে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে এসেও তাঁর আপ্ত সহায়কের খোঁজ করেছিলেন তদন্তকারীরা। কিন্তু, তাঁর খোঁজ মেলেনি। সূত্র মারফত জানা যায়, বেঙ্গল STF-এর তরফেও বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করা হচ্ছিল। কিন্তু, তাঁর খোঁজ মেলেনি। বেশ কয়েকবার নোটিস পাঠানো হয় সুমিত রায়কে। এমনই খবর পুলিশ সূত্রের। এরপর গতকালই আদালতের কাছে বিষয়টি জানায় পুলিশ। তারপর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় সুমিত রায়ের খোঁজ করা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।

প্রেক্ষাপট…

শালবনি ও মেদিনীপুর ব্লকের প্রায় ৩০০ একর সরকারি জমি জালিয়াতি করে বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে। 

দিগন্ত বিস্তীর্ণ জমি, বড় বড় গাছ। অভিযোগ, এই সরকারি জমির চরিত্র বদলে, প্লট করে, লাখ লাখ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছিল। জমির চারপাশে উঠে গেছে পাঁচিলও। পশ্চিম মেদিনীপুরে শালবনিতে এই জমি জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায়, ৬ জুন গ্রেফতার করা হয় মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে। পুলিশ সূত্রে দাবি, যাঁকে জেরা করেই উঠে এসেছে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের নাম। বিভিন্ন তথ্য় থেকে জানা যায়, সুজয় হাজরা ও সুমিত রায়ের মধ্য়ে কোটি টাকার ওপর আর্থিক লেনদেন হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেছেন, “সর্বত্র একই পদ্ধতিতে টাকা তোলা হত। টাকা পৌঁছে যেত…ওই শান্তি নামে যে বাড়িটা রয়েছে সেখানে। SUV গাড়ির তিনদিক বন্ধ করে দেওয়া হত যাতে কি না গাড়ির মধ্যে কিছু দেখা না যায়। যেটা সম্পূর্ণরূপে ভেহিক্যালস অ্যাক্টের পক্ষে বেআইনি সিস্টেম। অ্যাম্বলেন্সে করে অস্ত্র-টাকা বিভিন্ন জায়গায় চালান হত।” পুলিশ সূত্রে খবর, সম্প্রতি এক ব্য়ক্তি শালবনি থানায় অভিযোগ জানান। অভিযোগপত্রে তিনি লেখেন, জমি বিক্রির নাম করে তাঁর কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরা। অভিযোগ, তিনি বারবার বলা সত্ত্বেও কোনও এগ্রিমেন্ট বা চুক্তিপত্র করা হয়নি। জমির কোনও কাগজপত্রও হাতে পাননি তিনি। টাকা ফেরত চাইলে, সেটাও দেওয়া হয়নি। অভিযোগকারীর দাবি, এরপর তিনি খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, জমিটি সরকারি। সেটির চরিত্র বদলে তার কাছে বিক্রি করা হয়েছিল।

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.