ডানকুনি, হুগলি : চাঁদা নিয়ে জুলুম, তোলাবাজির বিরুদ্ধে ফের একবার কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ডানকুনির অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ‘ডানকুনির আশপাশে কিছু মানুষ, আমার দলের পতাকা নিয়ে, আবির লাগিয়ে চার ঘণ্টায় বিজেপি হয়ে গিয়ে, তাঁরা ফ্যাক্টরির গেটে পৌঁছেছিলেন। এখানে পুলিশের অধিকর্তারা আছেন, এসডিপিও সাহেব আছেন… কোথাও কোনও রাজনৈতিক নাম নিয়ে, এমনকী কোনও ট্রেড ইনিউনিয়নের ঝান্ডা নিয়ে, কোনও অনৈতিক দাবির কাছে মাথা নত করবেন না। আপনারা ব্যাপারগুলোকে দেখবেন। আমাদের দলের কোনও ট্রেড ইউনিয়ন নেই। বিজেপিতে এই ধরনের কারখানা থেকে চাঁদা তোলার কোনও সিস্টেম নেই। একদম সরাসরি গ্রেফতার করবেন। এই বিস্তীর্ণ ডানকুনি অঞ্চল জুড়ে বিক্ষিপ্ত ভাবে কিছু মানুষ দুষ্কর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। এদের সঙ্গে দূর দূর পর্যন্ত দলের কোনও যোগাযোগ নেই। যদি আমাদের দলের কেউ হয়, আমরা ব্যবস্থা নেব। নিশ্চিত থাকবেন, আমাদের দলের কেউ নয়। কিন্তু যদি কেউ বিজেপি সেজে ফেলে, যেখানে আমাদের কিছু করার নেই, সেখানে দায়িত্ব হচ্ছে প্রশাসনের এবং আমাদের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ধরনের তোলাবাজি, সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ এবং এই ধরনের হিংসামূলক কাজের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থান আমরা নিয়েছি, অনেক মানুষকে গ্রেফতার করেছি।’
রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিজেপি সরকার বারবার বার্তা দিয়েছে তোলাবাজি এবং চাঁদা নিয়ে জুলুম করার বিরুদ্ধে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক নেতা-মন্ত্রীও সরব হয়েছেন, কড়া বার্তা দিয়েছেন। কিছুদিন আগে জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া বলেছেন, পুজোর আগে-পরে বিজেপিতে যোগ দেবেন। তিনি এও বলেছেন যে, বিজেপিই তাঁদের এনসিপিআই- তে নিয়ে গিয়েছে। বর্ষীয়ান সাংসদের এও দাবি আদতে তাঁরা বিজেপিতেই যোগ দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ৩ সংখ্যালঘু সাংসদ, আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠান সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিতে চাননি। কারণ সংখ্যালঘু সিট থাকায় এলাকায় সমস্যা হতে পারে তাঁদের।
‘ওরা আমায় মেরে ফেলবে’, মাঝরাতে মা- কে ফোন তরুণীর, তারপর… হোম স্টে- তে কী ঘটেছে ছাত্রীর সঙ্গে ?
এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘তাঁর ইচ্ছে হয়েছে বিজেপি যোগ দেওয়ার তিনি বলেছেন। বিজেপি তাঁকে নেবে কিনা সেটা তো বিজেপির ব্যাপার। ২০২১ সালের ২ মে- এর পর ২৭ দিনে ৫৬ জন বিজেপি কর্মী খুন, ২০০ বিজেপির মহিলা কর্মী গণপধর্ষিতা, জেসিবি দিয়ে বাড়ি ভাঙা, থুতু ফেলে চাটানো, মাথা কামিয়ে দেওয়া, জরিমানা নিয়ে বাড়ি ফেরানো, অটো টোটো স্ট্যান্ড থেকে ছেলেদের বের করে দেওয়া… এগুলো বিজেপি ভুলে যায়নি। সুতরাং বিজেপির পতাকা হাতে নিলেই সমস্ত পাপ মুছে যাবে, এমন মনে করার কোনও কারণ নেই।’
CM Suvendu Adhikari : পিতৃপক্ষে প্য়ান্ডেল উদ্বোধন নয়, অষ্টমীতে মদ বিক্রি নয়, নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর
