Voice of Eastern India

‘আপনারা শুনলে খুশি হবেন…’, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় তথ্য দিলেন মুখ্যমন্ত্রী…


রেজিনগর : “একজনও প্রকৃত দিদি-বোন অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে বঞ্চিত হবেন না।” ফের আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের সভায় তিনি বলেন, “আমাদের বাজেটে দেখবেন, আমাদের দিদি-মা-বোনদের, অন্নপূর্ণা যোজনা…আমরা ইতিমধ্যে ১ কোটি ২০ লক্ষ মা-বোন-দিদির অ্যাকাউন্টে দিয়েছি। এই প্রক্রিয়া ৩০ অগাস্ট অবধি চলবে। ভেরিফিকেশন হবে। প্রত্যেক যোগ্য প্রাপক পাবেন। অযোগ্যরা বাতিল হবেন। একজনও প্রকৃত দিদি-বোন অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে বঞ্চিত হবেন না। আপনারা শুনলে খুশি হবেন, এই জেলায় ১৫ লক্ষ দিদি এবং বোন আবেদন করেছিলেন। আমরা বর্ণ-ধর্ম-দলমত নির্বিশেষে ১২ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার করে টাকা পয়লা জুলাই দিয়েছি।”

তৃণমূল আমলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে সাধারণ মহিলাদের জন্য বরাদ্দ ছিল মাসে দেড় হাজার টাকা। বিজেপি আমলে এই প্রকল্পের নাম বদলে হয়েছে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’। দ্বিগুণ হয়েছে টাকার অঙ্ক। গত ১ জুলাই নেতাজি ইন্ডোরের অনুষ্ঠান থেকে দুই ২৪ পরগনা কলকাতা, হাওড়া ও হুগলি-র ৫ মহিলার হাতে প্রকল্পের শংসাপত্র তুলে দেন মখ্যমন্ত্রী। ছিলেন সহ অন্যান্য মন্ত্রী ও মুখ্যসচিব। তৃণমূল জমানায় মহিলাদের জন্য় চালু হওয়া প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-এর টাকা কীভাবে পুরুষরা পেয়েছিলেন, তা এখন সামনে আসছে।

সেই বিষয়টা নিয়েও সুর চড়িয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, “আপনি বলুন, আগের সরকার মহিলাদের জন্য় চালু করেছিলেন, ৫০০-৫০০-৫০০ এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য় ছিল মহিলাদের অ্য়াকাউন্টে যাওয়ার। আপনি অবাক হয়ে যাবেন, এই ২ কোটির মধ্য়ে ১০ লক্ষ পুরুষ বেরিয়েছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নামের টাকা কি পুরুষের অ্য়াকাউন্টে যাওয়া উচিত ? তাই, ঝাড়াই-বাছাইয়ের প্রয়োজন ছিল।”

নেতাজি ইন্ডোরের অনুষ্ঠান থেকে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল বলেছিলেন, ‘অন্নপূর্ণা যোজনার কাজ সফলভাবে চলছে। ৩ জুনে এই প্রকল্প চালু হওয়ার পরই যোগ্যদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে গিয়েছিল। আমাদের কাজ চলছে এখনও। পোর্টাল খোলা আছে। অনলাইন-অফলাইন অ্যাপ্লিকেশনও চলেছে। জনতা শিবিরে ব্লকে ব্লকে এই ফর্ম নেওয়া হয়েছে। এলিজিবিলিটি অনুসারে স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ চলছে। এনকোয়ারি অফিসার, ডেটা ব্যাঙ্কেও কাজ চলছে। সব দিকে নজর রেখেই কাজ হবে।’ 

দিনকয়েক আগে ফেসবুক লাইভে এসে অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গ তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যারা পেতেন, ২ কোটি ৪৬ লক্ষ প্রায়। আজকে প্রায় দেড় কোটির উপর মা-বোনেদের নাম কেটে দিয়েছে শুনেছি। তাঁরা আজ হাহাকার করছেন। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে জানি না। মিড ডে মিল- এ হেল্পার, যারা কাজ করতেন তাঁরাও আজ হাহাকার করছেন। কাজ দেওয়ার ক্ষমতা নেই কিল মারার গোঁসাই।’

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.