Voice of Eastern India

ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ, অভিযোগকারীর বক্তব্য, ‘মানবতার গলা টিপে মারা হল’


হিন্দোল দে, কলকাতা : বিপাকে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। প্রাক্তন মন্ত্রী, তাঁর স্ত্রী এবং স্ত্রীর সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে পুজো পরিক্রমার নামে টিকিট বিক্রি করে টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে বউবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যদিও ইন্দ্রনীল দাবি করেছেন, ব্যবসায়ীক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে। গতকাল জয়দীপ মুখোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রী সগুনা মুখোপাধ্যায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। 

এ প্রসঙ্গে জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী বলেন, “আমাদের মূল অভিযোগ, ইউনেস্কো কারো সঙ্গে এরকম ফিনান্সিয়াল এগ্রিমেন্টে যেতে পারে না। ইউনেস্কো আমাদের লিখিতভাবে দিয়েছে যে তারা কোনওরকমভাবে…কোনও সিলেকশন…২৪টা দুর্গাপুজো..কারো সঙ্গে কোনও দিন ফিনান্সিয়াল এগ্রিমেন্ট হয়নি। ২০২২, ২০২৩, ২০২৪। আমরা কী বলি ? দুর্গাপুজো মানবতার উৎসব। সেই মানবতারই তো গলা টিপে মারা হল। আজ আপনি ক্লাস ডিসক্রিমিনেট করছেন। টিকিটের দাম কত ? ডোনার পাস ৪ হাজার টাকা। ৪ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কে কাটবে ? সেরকম অর্থ সংস্থান থাকতে হবে। একটা মানুষের দুই সপ্তাহের পারিশ্রমিক হয়তো ৪ হাজার টাকা। সে সারা বছর জমিয়ে রাখে পরিবারের সঙ্গে ১০টা দিন আনন্দ করবে বলে। তুমি ক্লাস ডিসক্রিমিনেট করে দিচ্ছ ? রাজবাড়ি থেকে রাজপথে পুজো এসেছিল। সর্বজনীন পুজো হয়েছে। বারোয়ারির পুজো হয়েছে। যে টাকা দিয়ে টিকিট কাটতে পারবে সে ঢুকতে পারবে, আর বাকিরা পারবে না। অবশ্যই আর্থিক প্রতারণা হয়েছে।”  

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই, সামনে আসতে শুরু করেছে তৃণমূল জমানার এবং তৃণমূল নেতাদের নানা কুকীর্তি। টালিগঞ্জে মেক আপ আর্টিস্টের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ। এবার শিল্পীরা সরব হলেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক এবং প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার নন্দন চত্বরে বিক্ষোভও দেখান শিল্পীদের একাংশ। প্রবীর দাস নামে এক অভিযোগকারী সঙ্গীতশিল্পী বলেন, “TLC বলে একটা কোম্পানি আছে। হাজরায় তাদের অফিস। সরকারি সঙ্গীতমেলা এবং যা অনুষ্ঠান হয়েছে, লজিস্টিক সাপোর্টের টেন্ডারটা এই কোম্পানি পেত। এই TLC কোম্পানির সঙ্গে ইন্দ্রনীল সেনের কী সম্পর্ক ছিল?” শুধু আর্থিক লেনদেন বা কাটমানি নয়। উঠেছে আরও মারাত্মক সব অভিযোগ। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তৃণমূল জমানায় বছরের পর বছর কাজ মেলেনি বলে অভিযোগ জানিয়ে, নন্দন চত্বরে হাজির হয়েছিলেন অনেকেই। 

 

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.