Voice of Eastern India

ডানা ছাঁটা হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে দোলা ও ডেরেক


কলকাতা : ভোটে ভরাডুবি, একা অভিষেকে আর আস্থা নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এবার ডানা ছাঁটা হল অভিষেকের। এক পদে দায়িত্বে আরও ২জন। সর্বভারতীয় সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে আরও ২জন। অভিষেকের সঙ্গে যুগ্ম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন দোলা ও ডেরেক। সুব্রত বক্সীর জায়গায় রাজ্য সভানেত্রী হলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তৃণাঙ্কুরকে সরিয়ে TMCP-র রাজ্য সভানেত্রী হলেন প্রিয়ঙ্কা অধিকারী। ঋতব্রতের জায়গায় শ্রমিক সংগঠনের দায়িত্বে মলয় ঘটক। মহিলা তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী করা হল মালা রায়কে। 

বিধানসভা নির্বাচনে লজ্জার হার তৃণমূলের। ১৫ বছরের রাজত্ব তাসের দেশের মত এক লহমায় ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। নিজের কেন্দ্রেই পরাজিত হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিপুল ভোটে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু তৃণমূলের এই ভরাডুবির নেপথ্যে কে? এই প্রশ্নের উত্তরে বহু নেতা-কর্মীরাই অভিষেক আর আইপেক-কে দায়ী করেছেন। একের পর এক কাউন্সিলর ও তৃণমূলের দায়িত্বে থাকা নেতারা পদত্যাগ করেছেন। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে তৃণমূল ভেঙে খানখান। তাই ভোটের ভরাডুবির পর বড় সিদ্ধান্ত নিলো তৃণমূল। দায়িত্ব কমান হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অভিষেকের সঙ্গে যুগ্ম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেলেন দোলা সেন ও ডেরেক ও’ব্রায়েন। 

আর কে কোন পদ পেলেন? কার পদ গেল ?

১. অভিষেকের সঙ্গে যুগ্ম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেলেন দোলা সেন ও ডেরেক ও’ব্রায়েন। 
২. সুব্রত বক্সীর জায়গায় রাজ্য সভানেত্রী হলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
৩. তৃণাঙ্কুরকে সরিয়ে দিয়ে TMCP-র রাজ্য সভানেত্রী হলেন প্রিয়ঙ্কা অধিকারী।
৪. ঋতব্রতের জায়গায় শ্রমিক সংগঠনের দায়িত্ব পেলেন মলয় ঘটক। 
৫. মহিলা তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী করা হল মালা রায়কে। 

আরও পড়ুন – ‘ফেরার’ সুশান্ত ঘোষ ! গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলরের গাড়ির চালক, কী কী অভিযোগ ?

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, তৃণমূলের এই বেহাল অবস্থার কারণ নিয়ে এবিপি আনন্দের মুখোমুখি হয়ে মুখ খুলেছিলেন নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তিনি জানান, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে, ভাইপোকে বেশি, অন্ধ ধৃতরাষ্ট্রের মতো পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বানানোয় মুগ্ধ ছিল। আমাদের কোনও কথা শোনেনি। আমি প্রতিবাদী বরাবর। যে দলই করেছি, ৩০ বছর কংগ্রেস করেছি। কংগ্রেসের ভুল-ত্রুটিও সামনে বলেছি, তৃণমূলেও বলেছি। তখন আমাদের কথায় কোনও কর্ণপাত করেনি। আজ তার খেসারত দিচ্ছে। নিজে দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে গারদে ঢুকিয়ে দেওয়া দরকার। গ্রেফতার করে ওড়িশায় পাঠিয়ে দেওয়া দরকার।” 

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.