Voice of Eastern India

Blood Bank Scam: ‘রক্ত নিয়ে কারবার’, ব্লাড ব্যাঙ্কগুলির জন্য কড়া নির্দেশ স্বাস্থ্যভবনের, কী বার্তা দেওয়া হল ?


সন্দীপ সরকার, কলকাতা : স্বাস্থ্য দফতর ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রককে না জানিয়ে বিপুল পরিমাণে রক্ত-প্লাজমা বিক্রি করা যাবে না। ব্লাড ব্যাঙ্কগুলির ‘যথেচ্ছাচার’ বন্ধ করতে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল স্বাস্থ্য ভবন। সরকারি, বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যের সমস্ত ব্লাড ব্যাঙ্কের বাল্ক ট্রান্সফার নিয়ে জারি করা পুরনো গাইডলাইনের কথাও আরেকবার মনে করিয়ে দিল স্বাস্থ্য ভবন। কে পাঠাচ্ছে রক্ত? কত ইউনিট পাঠানো হচ্ছে? কোন গ্রুপের রক্ত? কত ইউনিট যাচ্ছে? এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য অন্তত সাত দিন আগে জানিয়ে অনুমতি নিতে হবে রাজ্য ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিল থেকে। বাল্ক ট্রান্সফারের অন্তত ৭ দিন আগে তথ্য জমা দিতে হবে, রক্ত-প্লাজমা বিক্রি ঘিরে সাফ বার্তা দিল স্বাস্থ্য ভবন। 

ভিনরাজ্যে রক্ত পাচারকাণ্ডের তদন্তে নজিরবিহীন পদক্ষেপ স্বাস্থ্য ভবনের। একসঙ্গে ১১ টি ব্লাড ব্যাঙ্কের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত রক্তদান শিবির থেকে রক্ত সংগ্রহে নিষেধাজ্ঞা। শুধু ব্লাড ব্যাঙ্কে এসে কেউ রক্ত দিতে চাইলে, তা নেওয়া যাবে। একলপ্তে অনেক ইউনিট রক্ত পাঠাতে চাইলে, স্বাস্থ্য দফতর থেকে আগাম অনুমতি নিতে হবে। নিষেধাজ্ঞা জারি কলকাতার কর্পোরেট হাসপাতাল কোঠারি মেডিক্যাল সেন্টারের ব্লাড ব্যাঙ্কের ওপরেও। 

হাওড়ার পিলখানার কাছে হামিমের একটি দোকানের হদিশ, আড়ালে কী চলত? জানতে তদন্তে STF 

আলিপুরের কোঠারি মেডিক্যাল ব্লাড সেন্টার ছাড়াও নিষেধাজ্ঞার আওতায় সোনারপুরের ইস্পাত কো-অপারেটিভ হাসপাতাল ব্লাড সেন্টারের উপর। এন্টালির লাইফ কেয়ার ব্লাড সেন্টার, যোধপুর পার্কের অশোক ল্যাবরেটরি ব্লাড সেন্টারের উপরও নিষেধাজ্ঞা। পদ্মপুকুরের হেলথ পয়েন্ট হাসপাতাল ব্লাড সেন্টার, বেলেঘাটার  ওম ব্লাড সেন্টার তালিকায়। হাওড়ার HMC রোটারি ব্লাড সেন্টার, কৃষ্ণনগরের ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস ব্লাড সেন্টার নিষেধাজ্ঞা তালিকায়। রায়গঞ্জের উপশম ওম ব্লাড সেন্টার, পূর্ব বর্ধমানের টেরিজা ওম ব্লাড সেন্টার নিষেধাজ্ঞার আওতায়। রানিগঞ্জ ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস ব্লাড সেন্টারের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি স্বাস্থ্য ভবনের। 

ভিনরাজ্যে রক্ত বিক্রি করে কোটি কোটি টাকার মুনাফার অভিযোগ। স্বাস্থ্য ভবনকে অন্ধকারে রেখে রক্ত বিক্রির অভিযোগ কোঠারি ব্লাড ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে। ‘৭ মাসে বিভিন্ন রক্তদান শিবির থেকে মোট ৪২ হাজার ৩৬৭ ইউনিট ব্লাড কালেকশন করেছে কোঠারি ব্লাড ব্যাঙ্ক। ৪টি ওষুধ কোম্পানিকে এই সময়ে ৩৫ হাজার ১২৫ ইউনিট প্লাজমা বিক্রি করা হয়েছে। এই পরিমাণ প্লাজমার বাজারমূল্য সাড়ে ৩ কোটি’, দাবি স্বাস্থ্যভবনের। প্লাজমা বিক্রির সব তথ্য খতিয়ে দেখছে স্বাস্থ্যভবন, যাচাই করা হচ্ছে সব রেকর্ড। বাড়তি প্লাজমার জন্য বেশি ব্লাড কালেকশন, সন্দেহ স্বাস্থ্যভবনের। প্লাজমা বিক্রি করলেও, রাজ্যের বাইরে বিক্রি করা হয়নি লোহিত রক্তকণিকা, দাবি কোঠারি ব্লাড ব্যাঙ্কের। 

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.