Voice of Eastern India

CJP Protest: CJP-র আন্দোলনে যোগ দেওয়া যুবক ও তাঁর বাবাকে মারধরের অভিযোগ বিজেপি’র বিরুদ্ধে, হাসপাতালে মৃত্যু যুবকের বাবার


বাঁকুড়া, ইন্দাস : CJP-র আন্দোলনে যোগ দেওয়া যুবক ও তাঁর বাবাকে মারধরের অভিযোগ। গত ১৩ অগাস্ট, বাঁকুড়ার ইন্দাসে বাড়িতে ঢুকে হামলার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। শনিবার রাতে বর্ধমান মেডিক্যালে মৃত্যু যুবকের বাবা শেখ মহম্মদ মাফিকের। দিল্লিতে CJP-র আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন, দাবি বাঁকুড়ার শেখ আব্দুল হাফিজের। বাড়ি ফেরার পর থেকে হুমকি দিচ্ছিল বিজেপি, অভিযোগ হাফিজ ও তাঁর পরিবারের। দিল্লি থেকে ফিরে নিজের এলাকার বেহাল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছবি তোলেন হাফিজ। তারপরেই বাড়িতে ঢুকে হামলার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। হামলার জেরে মৃত্যুর অভিযোগ পরিবারের। বিজেপির দাবি, অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে, এখানে আইনের শাসন চলছে। অভিযোগ প্রমাণ হলে, রং দেখে নয়, শাস্তি হবেই।

এক CJP সমর্থকের কথায়, ‘রাষ্ট্রকে ভুল ধরিয়ে দিলে তাদের যে গাত্রদাহ শুরু হয়, তার প্রমাণ আবারও পেলাম। রাষ্ট্রকে প্রশ্ন করলে যদি এরকম আক্রমণ নেমে আসে, তাহলে আমরা এরকম প্রশ্ন বারেবারে করব, হাজারবার করব। ও দিল্লি গেছি, সত্যি কথা বলেছে, তারই রাগের বহিঃপ্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। সত্যি কথা বলার শাস্তি। তবে আমরা ছাত্রদের স্বার্থে লড়ছি। ছাত্রদের জন্য লড়ছি। শুধু জেন জি নয়, জেন আলফারাও পথে নেমেছে। আমরা সবাই মিলে এই স্কুলের উন্নতি করব।’ 

‘একটা মানসিক চাপ প্রত্যেকের উপর সাংঘাতিক ভাবে পড়ছে’, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে কী বলছেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় 

যে যুবকের বাবার মৃত্যু হয়েছে সেই শেখ আব্দুল হাফিজ বলছেন, ‘ককরোচ জনতা পার্টি একটা ক্যাম্পেন লঞ্চ করেছিল যেটা হল স্কুল ঠিক করো, যেটা ভাল জিনিস। ওই সূত্রেই আমার গ্রামের স্কুলে গিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা। বাচ্চাদের বাথরুম হোক কিংবা পানীয় জলের কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা জিজ্ঞেস করেছিলাম স্যারকে। বলেছিলাম আমি একটা ক্যাম্পেন চালু করব, আপনার কি অনুমতি আছে? উনি বলেছিলেন কালকে এসো, কালকে বলব। উনি বিজেপি কর্মীদের সব বলেছেন। ১৩ অগস্ট রাত ৮টা সাড়ে ৮টা নাগাদ সব বিজেপি কর্মীরা আসে।’ 

এই ঘটনায় বিজেপি’র সুকান্ত মজুমদার (কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী) বলেছেন, ‘যদি এরকম কোনও ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তার এফআইআর হবে এবং পুলিশ তার তদন্ত করবে। গোটা দেশে ককরোচ জনতা পার্টির এত আন্দোলন হল, এখান থেকেও প্রচুর লোক গেছে, আমার এলাকা থেকে গেছে, কই আমরা তো কোথাও পেটাতে যাইনি… জমি নিয়ে পারস্পরিক কোনও গন্ডগোল নাকি অন্য কিছু যেটা দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টির নামে, তার ব্যানারে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে…।’ এর পাশাপাশি রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলছেন, ‘সারা ভারতে, এই রাজ্যে লক্ষ লক্ষ কার্যকর্তা রয়েছে। সকলের চরিত্র ঠিক করা তো বিজেপির রাজ্য সভাপতি কিংবা মুখ্যমন্ত্রীর কাজ নয়। সম্ভবও নয়। সুতরাং কেউ যদি এই ধরনের কাজ করে থাকে, তাহলে তার উপর অ্যাকশন হবে। সে তো বিজেপি করে বলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। একটা অন্য ক্রিমিনালকে যেভাবে দেখা হয়, তাকেও সেভাবে দেখা হবে। এগুলো আমরা বরদাস্ত করব না। স্ট্রিক্ট অ্যাকশন হবে। আমরা তৃণমূল নই। ক্ষমার কোনও জায়গাই নেই।’ 

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.