Voice of Eastern India

ইঁদুর ধরতে রোগীর বেডের পাশে রাখা যন্ত্র, মালদার সরকারি হাসপাতালে ভয়ঙ্কর ছবি


সোমক লাহিড়ী, মালদা : সরকারি হাসপাতালে ইঁদুরের উৎপাত ! এমনই চাঞ্চল্য়কর অভিযোগ উঠল মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। সেখানে ইঁদুর-যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে রোগীদের বেডের পাশে রাখা হয়েছে যন্ত্র। আর এই ছবি দেখতে পেয়েই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ইংরেজবাজার বিধানসভার প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। মালদা মেডিক্যালের সুপার ইঁদুরের সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন রোগীদের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, তাই ইঁদুর ধরার যন্ত্র রাখা হয়েছে। মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এভাবে ওয়ার্ডে ইঁদুরের উৎপাত স্বভাবতই রোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। কবে, কীভাবে কমবে ইঁদুরের উপদ্রব, উত্তর খুঁজছেন সকলেই।                 

ইংরেজবাজার বিধানসভার প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী বলছেন, ‘এখানে ইঁদুর মারার যন্ত্র রাখা হয়েছে মানে, ইঁদুর তো আছে। প্লেগ পর্যন্ত ছড়াতে পারে। কী নেই ওখানে, ইঁদুর তো ছেঁড়ে দিন, কী নেই ওখানে। জঞ্জাল এবং নোংরা আর আবর্জনার শ্রেষ্ঠ স্থান মালদা মেডিক্যাল কলেজের ট্রমা সেন্টারে। আমরা এই অব্যবস্থা থেকে মুক্তি চাই। পুরনো সরকারের ৫০ বছরের এই জঞ্জালকে যদি আমরা বর্তমান আধিকারিকদের কাছে, আমাদের দৃষ্টভঙ্গি দিয়ে অবলোকন করাতে না পারি, তাহলে এই ব্যবস্থা চলবে। জঙ্গল সরকার থেকে মুক্তি পেয়েছি। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, প্রাতিষ্ঠানিক অব্যবস্থা, প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয় থেকে এখনও মুক্ত হইনি।’                      

সাংসদের ছেলের গাড়ি পিষে দিয়েছে তরুণীকে, সাফাই দিয়ে বাবা বলছেন, ‘ওই তো হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে…’ 

আইফোনের ইএমআই দেওয়া নিয়ে মা-বাবার সঙ্গে ঝামেলা ছেলের, চোখের নিমেষে শেষ গোটা পরিবার, কী ঘটেছে ?

মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এমএসভিপি প্রসেনজিৎ বর জানিয়েছেন, ‘ইঁদুরের উৎপাত রয়েছে। আমরা সম্প্রতি পেস্ট কন্ট্রোল করিয়েছি। কিন্তু তাতেও ওদের নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। ইঁদুর ধরার জন্য মেশিনও বেশ কিছুদিন ধরে ব্যবহার করছি। বেশ কিছু ধরাও পড়ছে। ফলস সিলিং থাকার জন্য নিয়ন্ত্রণ করা সমস্যাজনক। ফলস সিলিংয়ে ওরা উঠে যাচ্ছে। পেস্ট কন্ট্রোল করা হচ্ছে। আর কোনও পথ রয়েছে কিনা দেখা হচ্ছে। পাইপ লাইনের সমস্যা রয়েছে। সেটাও দেখা হচ্ছে। যারা কাজ করে তাদের জানানো হয়েছে। তারাও দেখছে। তবে সমস্যা মেটেনি। এছাড়াও সাফাইকর্মীরা কাজ করছেন না, তাঁদের বেতন সংক্রান্ত কিছু সমস্যা হচ্ছে। এই কারণেও বাড়ছে অসুবিধা।’              

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.