Voice of Eastern India

Howrah: লখনউয়ে কোচিং সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছিল, জগৎবল্লভপুরে ফিরল বাঙালি তরুণীর নিথর দেহ


<p style="text-align: justify;"><strong>সুনীত হালদার, হাওড়া:</strong> গত সোমবার দুপুরে লখনউয়ের আলিগঞ্জে একটি কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছিল এক বাঙালি তরুণীরও। জগৎবল্লভপুরের গড়বালিয়ার মেয়ে অনামিকা সামন্ত। সোমবার সকালে অনামিকার নিথর দেহ নিয়ে আসা হয় জগৎবল্লভপুরের বাড়িতে। পাড়ার মেয়ের মৃত্যুতে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify;">উল্লেখ্য, ঘটনায় মারা গিয়েছেন তরুণীর হবু স্বামী নীলেশ কুমারেরও। জানা গিয়েছে, বছর সাড়ে তিন আগে জগৎবল্লভপুরের গড়বালিয়ার মেয়ে অনামিকা সামন্ত অ্যানিমেশন শিখে লখনউতে এক কোচিং সেন্টারে চাকরি পান। সেখানেই তিনি থাকতেন। মাঝে মাঝে দেশের বাড়িতে আসতেন। লখনউয়ে কাজের সূত্রে থাকার সুবাদে সহকর্মী নীলেশ কুমারের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে অনামিকার। আগামী নভেম্বরেই তাঁদের বিয়ের কথা ছিল। কিন্তু গত সোমবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় যে ১৫ জনের মৃত্যু হয়, তাঁদের মধ্যে ছিলেন অনামিকা এবং নিলেশ। গত সোমবার রাতে এই মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর পরিবারের কাছে &nbsp;আসে।&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify;">পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে কলকাতার নিউ আলিপুরে থাকলেও অনামিকার পৈত্রিক বাড়ি জগৎবল্লভপুরে। গত সাড়ে তিন বছর ধরে তিনি লখনৌয়ে কর্মরত ছিলেন এবং যে কোচিং সেন্টারে আগুন লাগে, সেখানেই কাজ করতেন তিনি। একই বিল্ডিংয়ে অন্য একটি অফিসে কর্মরত ছিলেন নীলেশ। অনামিকার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে লখনউ থেকে সোমবার সন্ধ্যায় খবর পেতেই তাঁরা দ্রুত সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন। মঙ্গলবার সকালে বিমানে করে অনামিকার বাবা-মা, কাকা ও ভাই সেখানে পৌঁছায়। লখনউয়ের মর্গে পৌঁছে অনামিকার আগুনে ঝলসে যাওয়া দেহ চিনতেই হিমশিম খেতে হয় পরিবারকে। মুখের সামান্য অংশ দেখে কোনওরকমে নিজেদের মেয়েকে শনাক্ত করেন বাবা-মা। সোমবার সকালে অনামিকার দেহ বাড়িতে আসতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা গ্রাম।</p>
<p style="text-align: justify;">এদিকে এই ঘটনার পরই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়ে গিয়েছে। কীভাবে একটি আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক কার্যকলাপ চলছিল, কেন ছিল না জরুরি নির্গমন পথ এবং নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ক্রমাগত। নইলে এভাবে ১৫ জনের যে মর্মান্তিক মৃত্যু হল, তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও উঠছে। সূত্রের খবর, যে বিল্ডিংয়ে আগুন লাগে সেখানে একটি অ্যানিমেশন ট্রেনিং সেন্টার, পোষ্য প্রাণীর দোকান এবং আরও কয়েকটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ছিল। অনেকেই প্রাণ বাঁচাতে জানালা দিয়ে ঝাঁপও দিয়েছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify;"><iframe title="YouTube video player" src="https://www.youtube.com/embed/v8rwC3RhVJw?si=Eof5CMkaPWUlaEkG" width="560" height="315" frameborder="0" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></p>
Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.