Voice of Eastern India

Taratala Factory Collapse : ‘জল পাঠাচ্ছি…চিন্তা করবেন না…রেসকিউ চলছে…আমরা আছি’ ধ্বংসস্তূপের বাইরে থেকে বার্তা পুলিশের, কতজন আটকে?


পার্থপ্রতিম ঘোষ, অর্ণব মুখোপাধ্যায়, কলকাতা : শহরে বড়সড় বিপর্যয়। ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ গোডাউনের ছাদ।   নির্মীয়মান লোহার স্ট্রাকচার ভেঙে ঘটল বিরাট বিপর্যয়। গোডাউনে আটকে পড়েলেন বহু জন। স্থানীয়দের আশঙ্কা ভেতরে আটকে থাকতে পারেন ৫০ – ৬০ জন।  সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকাজে নামে পুলিশ। ভেতর থেকে মানুষদের বের করে আনার কাজটি মোটেই সহজ নয়। বাইরে থেকে মাঝে মাঝেই চলছে মাইকিং। ‘চিন্তা করবেন না …আমরা আছি। আপনাদের বের করে আনব।’ প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কাজ চলাকালীন আচমকাই কারখানার বিশাল লোহার কাঠামো এবং কংক্রিটের অংশ ভেঙে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে ধুলোর চাদরে ঢেকে যায় গোটা এলাকা। অনেক শ্রমিক তখন শেডের নীচে কাজ করছিলেন।  তাঁরা ধ্বংসস্তূপের তলায় আটকে পড়েন। আওয়াজ শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দা ও অন্যান্য শ্রমিকরা ছুটে আসেন। প্রথমে নিজেদের উদ্যোগেই উদ্ধারকাজ শুরু হয়। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন, কলকাতা পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। এখনও পর্যন্ত ১৩জনকে উদ্ধার করল পুলিশ-সেনা-দমকল। 

ঘটনাস্থল থেকে এবিপি আনন্দর প্রতিনিধি জানালেন, মাঝে মধ্যেই ভেতর শোনা যাচ্ছে আর্তনাদ ‘আমাদের  বাঁচান’ । কেউ কেউ আবার হাত বের করে জানান দেওয়ার চেষ্টা করছেন …. ‘বেঁচে আছি, আমায় বের করো’। তখনই সেখানে পৌঁছে যাচ্ছে দমকল বাহিনী। গ্যাস কাটার দিয়ে লোহা কেটে বের করে আনার চেষ্টা চলছে। ধ্বংসস্তূপ সরাতে ব্যবহার করা হচ্ছে ভারী যন্ত্রপাতি, ক্রেন এবং আর্থমুভার। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা শ্রমিকদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন।

উদ্ধার কাজে পুলিশের সঙ্গে রয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। তৎপর দমকল ও  সেনাবাহিনী। দ্রুততার সঙ্গে মানুষকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দিতে এলাকায় ঢুকছে একের পর এক অ্য়াম্বুল্যান্স। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, ও  পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেও। পৌঁছে গিয়েছেন বিধায়ক  ইন্দ্রনীল খাঁ-ও।  দুজনেই স্থানীয় মানুষ ও দমকল ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলছেন, যাতে কাজ নিরাপদে, সাবধানে , দ্রুত হয়। সূত্রের খবর, একটি আলাদা পথ তৈরি করে আটকে পড়া মানুষদের বের করে আনার। 

বিজেপি নেতা রাকেশ সিংয়ের  দাবি, এই ঘটনায় বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। আটকে থাকতে পারেন ৫০-৬০ জন। বিপর্যয়ে কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে প্রশাসনের তরফে।  

আরও পড়ুন : কলকাতায় ক্লাউডবার্স্ট? নাকি মাইক্রোবার্স্ট? দুইয়ের কী ফারাক? 

 

কন্ট্রোল রুমের নম্বর

  • 1070
  • 8697981070,
  • 033 22143526,
  • 033 22535185 

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.