Voice of Eastern India

Annapurna Yojana: অন্নপূর্ণার ৩০০০ টাকা পাননি? বাড়িতে আসবেন সরকারি কর্মীরা, হাতের কাছে রাখতে হবে কোন কোন নথি?


কলকাতা: অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদন করেছিলেন, কিন্তু এখনও অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি ৩০০০ টাকা? আবেদন বাতিল হয়েছে বা স্টেটাস দেখাচ্ছে ‘Under Enquiry’? সেক্ষেত্রে এখনও আশা রয়েছে। বাতিল এবং যাচাইয়ের অপেক্ষায় থাকা আবেদনগুলি ফের খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আবেদনকারীর বাড়িতে গিয়ে তথ্য ও নথি যাচাই করবেন সরকারি আধিকারিকরা। যাচাইয়ে যোগ্য প্রমাণিত হলে প্রকল্পের সুবিধা মিলতে পারে।   

অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় যোগ্য মহিলাদের প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়ার কথা। কিন্তু টাকা স্থানান্তরের পর বহু আবেদনকারীর নাম বাদ পড়েছে বলে জানা যায়। এর পরেই বিভিন্ন জায়গায় ক্ষোভ-বিক্ষোভ শুরু হয়। একাধিকবার আবেদন করেও টাকা না পাওয়ার অভিযোগ তোলেন বহু মহিলা।

এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, কোনও যোগ্য আবেদনকারীকে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে না। যাঁদের আবেদন বাতিল হয়েছে অথবা এখনও ‘Under Enquiry’ অবস্থায় রয়েছে, তাঁদের আবেদন ফের যাচাই করা হবে। এই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল Field Verification বা সরেজমিনে যাচাই।

কীভাবে হবে ফিল্ড ভেরিফিকেশন?

রিপোর্ট অনুযায়ী, সরকারি কর্মীরা আবেদনকারীর বাড়িতে গিয়ে সরাসরি তথ্য যাচাই করতে পারেন। আবেদনপত্রে দেওয়া ব্যক্তিগত তথ্য, পরিচয়, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি মিলিয়ে দেখা হবে। মূলত কেন আবেদনটি বাতিল হয়েছিল বা কেন এখনও যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে, তার কারণ খুঁজে দেখা হবে।

যাচাইয়ের সময় আবেদনকারী প্রকল্পের সমস্ত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করছেন বলে প্রমাণিত হলে তাঁকে অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় আনা হতে পারে। অর্থাৎ, আবেদন একবার বাতিল হওয়া মানেই যে প্রকল্পের ৩০০০ টাকা আর পাওয়া যাবে না, এমন নয়। পুনরায় যাচাইয়ের ফল গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

কোন কোন নথি হাতের কাছে রাখবেন?

ফিল্ড ভেরিফিকেশনের সময় পরিচয়পত্র, ব্যাঙ্কের তথ্য এবং আবেদনে দেওয়া অন্যান্য নথি যাচাই করা হতে পারে। ফলে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, বাসস্থানের প্রমাণ, ব্যাঙ্কের পাসবুক বা অ্যাকাউন্টের তথ্য এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রস্তুত রাখা সুবিধাজনক। আবেদনের সময় জমা দেওয়া তথ্যের সঙ্গে এই নথির তথ্য যেন মেলে, সেটিও খেয়াল রাখা জরুরি।

বিশেষ করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্যে ভুল থাকলে সমস্যা হতে পারে। প্রকল্পের টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। তাই অ্যাকাউন্টের তথ্য, নাম এবং প্রয়োজনীয় সংযুক্তিকরণ ঠিক রয়েছে কি না, তা আগে থেকেই পরীক্ষা করে রাখা যেতে পারে। সরকারি পোর্টালে নাগরিকরা মোবাইল নম্বর ও OTP ব্যবহার করে লগইন করতে পারেন।

প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, বাতিল এবং ‘Under Enquiry’ আবেদনগুলির ফিল্ড ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য ১০ জুলাই পর্যন্ত সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল। একইসঙ্গে অফলাইনে এবং জনকল্যাণ শিবিরে জমা পড়া আবেদন ডিজিটাইজ করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

ফলে যাঁদের আবেদন বাতিল হয়েছে বা এখনও টাকা ঢোকেনি, তাঁদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পুনরায় যাচাইয়ের সময় প্রয়োজনীয় তথ্য এবং নথি সঠিক প্রমাণিত হলে যোগ্য আবেদনকারীরা প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন। তাই সরকারি কর্মীরা যাচাইয়ের জন্য এলে প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.