Voice of Eastern India

Awas Yojana: নাম ছিল আবাসের তালিকায়, পঞ্চায়েত থেকে খবর এল সেই টাকা দিয়ে বাড়ি বানিয়ে বসবাস করছে ‘ভূতেরা’!


মনোজ বন্দ্যোপাধ্যায়, বুদবুদ, পশ্চিম বর্ধমান: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি নিয়েও দুর্নীতি! দেখা যাচ্ছে নাম ছিল আবাসের টাকা প্রাপকদের তালিকায়। কিন্তু সেই টাকা অন্য কেউ তুলে নিয়ে তা দিয়ে বাড়ি তৈরি করে সেখানে বসবাস করছে। আর এই ‘ভূতেদের’ ঘিরে এমন অভিযোগ সামনে আসায় তোলপাড় পূর্ব বর্ধমানের বুদবুদের দেবশালা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। সোমবার বৈধ কাগজপত্র নিয়ে পঞ্চায়েতে গিয়ে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান ক্ষতিগ্রস্ত সেই সব মানুষ যাঁদের নাম থাক সত্ত্বেও টাকা পাননি।       

আরও পড়ুন: বৃষ্টি হলেই জল জমে কলকাতায়, ‘আন্তর্জাতিক পরামর্শ’ নিয়ে সেই সমাধানের কথা বললেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ

এই খবর সামনে এল কীভাবে? অভিযোগ, তৃণমূল আমলে আবাস যোজনার সার্ভের সময় দেবশালা গ্রামের বাসিন্দা আনন্দ রুইদাসের মাটির বাড়ির ছবি তুলে নিয়ে তাঁর নাম তালিকায় তোলা হয়েছিল। শারীরিকভাবে অসুস্থ আনন্দ রুইদাস ধরে নিয়েছিলেন, এবার তিনি আবাস যোজনার বাড়ি পাবেন। কিন্তু নতুন করে সার্ভে করতে গিয়ে পঞ্চায়েত কর্মীরা জানতে পারেন, তালিকায় আনন্দের নামে বাড়ি তৈরি হয়ে গিয়েছে এবং সেই বাবদ সরকারি টাকাও বরাদ্দ হয়ে গিয়েছে। ফলে এখন তাঁকে আর সরকারি বাড়ি দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হয়েছে।       

আনন্দ রুইদাসের মতো আরও অনেক বৈধ উপভোক্তার সঙ্গেই এমন ভূতুড়ে কাণ্ড ঘটেছে বলে অভিযোগ। তাঁদের দাবি, তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও তাঁদের নামে ইতিমধ্যেই বাড়ি তৈরি হয়ে গিয়েছে বলে দেখানো হয়েছে। এবং সেই টাকা অন্য কেউ পেয়েছেন। অভিযোগ সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা। বৈধ উপভোক্তাদের প্রশ্ন, তাঁদের নামে বরাদ্দ সরকারি বাড়ির টাকা কে নিল এবং তাঁদের নামে বাড়িই বা কে বানিয়ে ফেলল?       

দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে দেবশালা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বৃথিকা মেটে অসংগতির বিষয়টি স্বীকার করলেও দাবি করেছেন, তাঁর সময়কালে এই ঘটনা ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা শাস্তি পাবেন। অন্যদিকে বিজেপি জেলা নেতা সৌমেন পাত্রের অভিযোগ, এটি অত্যন্ত গুরুতর দুর্নীতি। অবিলম্বে ঘটনার তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। বৈধ উপভোক্তাদের অভিযোগ, এই ঘটনায় তৃণমূলের কেউ জড়িত কি না, তাও তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।       

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.