Voice of Eastern India

Dilip Ghosh: বৃষ্টি হলেই জল জমে কলকাতায়,’আন্তর্জাতিক পরামর্শ’ নিয়ে সেই সমাধানের কথা বললেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ


রঞ্জিত সাউ, কলকাতা: সামান্য বৃষ্টিতেই জল জমে যায় কলকাতায়। একই সঙ্গে জল জমা রাজ্যের অন্যান্য শহরগুলোতে। জল জমে যায় আধা শহর ও পঞ্চায়েত এলাকাতেও। আর এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বললেন বড় বাড়ি বা ফ্ল্যাট তৈরি করা নিয়ে এবার নতুন একটা আইন নিয়ে আসা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: “ছাত্রদের আন্দোলনের অধিকার আছে, কিন্তু দিল্লিতে যারা নাটক করল…”, ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে ‘বিদেশি গডফাদারদের’ কথা বললেন দিলীপ

জল জমা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী খুব স্পষ্ট ভাবে জানালেন এই সমস্যার কোনও শর্টকাট সমাধান নেই। দিলীপ ঘোষ বললেন, “প্রতিবছর আগস্ট সেপ্টেম্বর মাসে বৃষ্টি হয়। আর বৃষ্টি হলেই জল জমে। দুর্দশা বাড়ে সাধারণ মানুষের। এর কোনও শর্টকাট সমাধান নেই। শুধু কলকাতা কেন? বাকি শহর গুলোতেও এই একই অবস্থা। পুকুর ড্রেন বন্ধ করে টাকা-পয়সা দিয়ে বাড়ি করে নিয়েছে। যে পুকুরগুলোতে জল জমা হত সেই পুকুরগুলো নেই। পঞ্চায়েতে কোন আইন ছিল না সেই সুযোগ নিয়ে বড় বড় বাড়ি করে ফেলা হয়েছে। আমরা পঞ্চায়েতে নতুন আইন আনছি। যাতে এই ধরনের বদমাইশি না হয়।”

এ ছাড়াও এদিন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী অভিযোগ করেন যে বর্তমানে কিছু এলাকায় যথেচ্ছ বাড়ি করে রাস্তা আর ড্রেন আটকে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “রুরাল এবং আরবান এর মাঝে একটা শব্দ চালু হয়েছে রারবান। এই এলাকায় যথেচ্ছ বাড়ি করে রাস্তা আর ড্রেন আটকে দেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত এলাকায় বাড়ি করলে কোন আইন ছিল না। শুধুমাত্র এক পাতার একটা নির্দেশিকা ছিল। একাধিক রাজ্যে এর জন্য আইন তৈরি হয়েছে। কারণ গ্রামে এখন অনেক বড় বড় বাড়ি তৈরি হচ্ছে। ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে। সেই জন্য আমরা বিভিন্ন রাজ্যের আইন স্টাডি করে একটা আইন তৈরি করেছি। সেটা সিস্টেমে দেওয়া হয়েছে। ফাইন্যান্স পর্যন্ত গেছে। খুব শীঘ্রই আমরা রুলস নিয়ে আসছি। যাতে শহরের মতোই গ্রামেও বাড়ির পারমিশন পাওয়া যায়।”

আমফান নিয়েও এদিন সরব হলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। যদিও তিনি বিদেশি সাহায্য নিয়ে জল জমার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের কথাও বললেন। দিলীপ ঘোষ বললেন, “আমফানে সাত দিন রাস্তা বন্ধ ছিল সরকার কিছু করতে পারেনি। কলকাতায় বৃষ্টি হলে আর গঙ্গায় যদি বান আসে তাহলে জল জমে যায়। দু-তিন ঘন্টা ডুবে যায়। কত বছর আমরা দেখেছিলাম ভবানীপুর সহ দক্ষিণ কলকাতা কি অবস্থা হয়েছিল। কলকাতার অভিজ্ঞতা নতুন নয় ঠনঠনিয়া সহ কালীবাড়ি বিস্তীর্ণ এলাকায় জল জমে। এগুলোর স্থায়ী সমাধান করতে হবে ধীরে ধীরে প্ল্যান করে। পুরনো দিন বর্ষার আগে পরিষ্কার করতে হবে। খালের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। আমার মনে হয় আন্তর্জাতিক পরামর্শ নিয়ে একটা স্থায়ী সমাধান করা হোক। একটা বর্ষা কাটিয়ে দিতে পারে মানুষ কিন্তু সামনে যাতে না হয় সেই ব্যবস্থা করা উচিত।”

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.