খড়গপুর : খড়গপুরে এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খড়গপুরের হাতিহল্কা গ্রামের ঘটনা। নিহত বিজেপি কর্মীর নাম সামশের বিশ্বাস। মারধরের সিসি ফুটেজ ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। মারধরের ঘটনায় জখম হয়েছেন আরও দুই বিজেপি কর্মী। জখম বিজেপি কর্মীদের মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার সিসি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এ প্রসঙ্গে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সন্দীপ করণ বলেন, “সকালে শুনলাম যে, একজন খুন হয়ে গেছে। পরে জানতে পারি সে জাফর বিশ্বাসেরই ভাগ্নে। ওখানে আক্রমণ করতে, মারতে কিছু লোক গিয়েছিল। জাফরদা কোনও রকমে বেরিয়ে যায়। তার ভাগ্নে-কে ওই অবস্থায় ওখানে মারধর করে এবং মার্ডার করেছে। সেটাই শুনলাম। ৪ তারিখের পর সবাই বলছে বিজেপি। জাফর বিশ্বাস পুরোনো কর্মী।”
বিজেপির মেদিনীপুর জেলা সহ সভাপতি অজয় জানা বলেন, “আমাদের সভাপতি নির্বাচন সাংগঠনিকভাবে যেরমক হয়, সেভাবেই কালও হয়েছে। এতে আমাদের বেশকিছু কার্যকর্তা আনন্দে নতুন সভাপতিকে বরণ করতে চলে এসেছেন, সেই ফাঁকে কিছু দুষ্কৃতী এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তাদের নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য। অন্য কিছু ব্যাপার নয় এটার মধ্যে। পুরোটাই দুষ্কৃতীদের কাজ। যাদের কোনও রং হয় না। তারা কোনও রাজনীতির মধ্যে নেই। আগেও ছিল না, এখনও নেই। দুষ্কৃতীরা মেরেছে। তারা কোনও রাজনীতির সঙ্গে কোনও দিন ছিল না, এখনও নেই। সিসি টিভি ফুটেজ আছে। যদি বলে আমরা পরিবেশন করে দেব। আমি তো স্পটে ছিলাম না। যারা ছিল তারা বলল যে…সকালে উঠে চা খেতে গেছে…ঘটনাটা যেভাবে হয়…ঘটনা ঘটিয়েছে।”
খড়গপুরের তৃণমূল নেতা মহম্মদ রফিক বলেন, “৪ তারিখের আগে বিজেপি ছিল না…৪ তারিখে রেজাল্ট বেরোনোর সঙ্গে সঙ্গে গেরুয়া টিপ, গেরুয়া জামা পরে, মাথায় গেরুয়া টুপি নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে…বিজেপিকেও এখন সাবধান হতে হবে। বিজেপির হাতে এখন পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে সবকিছু কন্ট্রোল করছে। অতএব তারা মুখে যেগুলো বলছে…কিন্তু বাস্তবে আমরা…তৃণমূল কংগ্রেসের একজন নেতা হয়ে বলছি…বাস্তবে কোনও মিল পাচ্ছি না। কোন জায়গায় ফাঁক, সেগুলো উপরের নেতৃত্বকেই ঠিক করতে হবে। এটাই আমার বক্তব্য। যে পরিবারের মানুষ মারা গেছে, সেই পরিবারকে আমি আমার দলের পক্ষ থেকে সমবেদনা জানাচ্ছি। আমি মনে করি, এরকম অন্যায় বন্ধ হওয়া উচিত।”
Debjit on ECI | ‘ব্যাক্তি জ্ঞানেশ কুমার নয়, নির্বাচন কমিশনের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ’, বললেন দেবজিৎ সরকার
