CM Suvendu Adhikari: মিটবে কি খারাপ রাস্তার সমস্যা ? “প্রায় ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ”, দিল্লিতে বৈঠকের পর বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
কলকাতা: দিল্লিতে বৈঠকের পর বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এদিন তিনি বলেন, ‘বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে। সরকারের এখনও একমাস হয়নি। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনায় প্রায় ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ। ১০০ দিনের কাজেও প্রায় ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের।’
#WATCH | Delhi: West Bengal Chief Minister Suvendu Adhikari said, “In Bengal, the rural and agricultural sectors are very significant, with 60-65% of people dependent on agriculture, so I had a meeting with the Agriculture Minister. It was a very good meeting, and I am grateful… pic.twitter.com/V5Lb2kexQy
— ANI (@ANI) June 8, 2026
আরও পড়ুন, তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের বাড়িতে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
রাজ্যের কৃষকদের জন্য বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেখুন গ্রামীণ ক্ষেত্র এবং কৃষিক্ষেত্র বেশি পরিমাণে আছে। কম করে ৬০-৬৫ শতাংশ লোক, কৃষির উপর নির্ভরশীল। এই জন্য কৃষি মন্ত্রী এবং গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রীর সঙ্গে আমার মিটিং ছিল। সেখানে আমাদের রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষও ছিলেন। এসেছিলেন আমাদের মুখ্যসচিবও। সকল আধিকারিকদেরই এদিন ডাকা হয়েছিল। এখনও এই সরকারের (পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার) ১ মাস হয়নি, কাল ১ মাস পূর্ণ করবে। উনি আজকে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার অনুমোদন দিলেন। দুই দফায়, হাজার কোটির আশেপাশে। এই মাসে আমাদের শেষ তারিখ সোমবার। তারপর নতুন স্কিম আসবে। গ্রামীণ রোজগারের খাতে।এর উপরেও এই মাসে কাজ করার জন্য, ৭০০ কোটির থেকেও বেশি উনি আজকে অনুমোদন পত্র দিয়েছেন। টাকা ট্রান্সফারও হয়ে যাবে। কাজও হবে।
তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, আগের সরকার এত পরিমাণে দুর্নীতি করেছে এবং সরকারের টাকা নয়ছয় করেছে। কৃষি বিরোধী যে সরকার ছিল, যেভাবে কৃষকদের উপর অত্যাচার হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা থেকে শুরু করে….সেই সব বিষয়েও কথা হয়েছে। কীভাবে বাংলার কৃষকদের পাশে আমরা দাঁড়াতে পারি, সেই রোড ম্যাপও মাননীয় মন্ত্রী বলে দিয়েছেন। আজকের এই বৈঠকে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে, রাজ্যবাসীর তরফ থেকে, গ্রামীণ বাংলার তরফ থেকে, কৃষকদের তরফ থেকেমাননীয় মন্ত্রীকে ঋণ স্বীকার করছি। মোদিজি ও শিবরাজ চৌহানের নেতৃত্বের বাংলাকে নবনির্মিত করার যে জনাদেশ আমি পেয়েছি, সেই আদেশানুসারে আমরা কাজ করব। কৃষি বাঁচাও, গ্রাম বাঁচাও, এটাই আমাদের লক্ষ্য।
