Voice of Eastern India

Durga Puja Honorarium: পুজোর অনুদান আর পাবে ক্লাবগুলি? বড় সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর… কী বলছে কমিটিগুলো?


কলকাতা: সরকারি অর্থ যাদের প্রয়োজন নেই, আমার মনে হয়, তাদের দেওয়ারও দরকার নেই।যাঁরা এই অর্থের জন্য পুজো করতে পারেন না বা পারবেন না, তাঁদের পাশেই সরকার থাকবে। পুজো অনুদান নিয়ে শুক্রবার এমনই মন্তব্য় করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ ব্য়াপারে সহমত সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো উদ্য়োক্তা, বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। কিন্তু ছোট ছোট পুজোর উদ্য়োক্তারা বলছেন, সরকারি অনুদান তাদের প্রয়োজন!

পুজোর অনুদান নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত শুভেন্দু অধিকারীর

২০১৮-এ রাজ্য়ে প্রথম দুর্গাপুজোর অনুদান দেওয়া শুরু করে তৎকালীন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের (Mamata Banerjee) সরকার। শুরুতে অঙ্কটা ছিল ক্লাব বা সংগঠন পিছু ১০ হাজার টাকা। সেই অঙ্কটাই ক্রমে বাড়তে থাকে। ২০২৩-এ ছিল ৭০ হাজার টাকা, ২০২৪-এ ৮৫ হাজার টাকা, ২০২৫-এ অর্থাৎ বিধানসভা ভোটের আগের বছর কার্যত কল্পতরু হয়ে যায় তৃণমূল সরকার। একলাফে পুজো অনুদানের অঙ্ক বাড়িয়ে করা হয় ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। পুজো অনুদান নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত নিল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। আজ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি নিশ্চয় আলাপ আলোচনা করব। আমি একটা কথা শুধু বলব, ওই সামান্য সরকারি অর্থ যাদের প্রয়োজন নেই, আমার মনে হয়, তাদের দেওয়ারও দরকার নেই। যাঁরা এই অর্থের জন্য পুজো করতে পারেন না বা পারবেন না, তাঁদের পাশেই সরকার থাকবে। পুজো হবে, আরও বেশি সংখ্যায় হবে।’

কী বলছে পুজো কমিটিগুলো?

গত বছর ৪৫ হাজার ক্লাবকে দুর্গাপুজোর অনুদান দিয়েছিল মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সরকার। প্রত্য়েক পুজো কমিটিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে দিতে, রাজ্য় সরকারের খরচ হয় ৪৯৫ কোটি টাকা। তবে, বেশ কিছু পুজো কমিটি আছে, যারা এই অনুদান গ্রহণ করেনি। তার মধ্য়ে অন্য়তম সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার। এদিন পুজো অনুদান নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সজল ঘোষ বলেন, ‘ আমি এত বছর ধরে করছি। নিই না। এত পুজো তারা বলতে লজ্জা পেত নেব না। দেখছেন তো ক্লাবে কোটি কোটি টাকা। যাদের এই ১ লাখ দরকারই নেই। এটা সরকারি ফান্ডের অপচয়। তবে অনেক পুজো আছে, যাদের দরকার। বহু বড় বড় পুজোরই যা জাঁকজমক, আড়ম্বর, তাতে সরকারি অনুদান তাদের লাগে না! তাদের বাজেট বিশাল!…টাকার উৎসও অনেক!’

কিন্তু ছোট ছোট পুজোর উদ্য়োক্তারা বলছেন, সরকারি অনুদান তাদের প্রয়োজন! যেমন ১০৫ বছরের পুরনো ভবানীপুরের এই পুজো কমিটি! ভবানীপুর সর্বজনীন ধর্ম প্রসারনী সমিতি (মুখার্জি ঘাট)-এর উদ্য়োক্তা  প্রকাশ নারওয়ানি বলছেন, ‘১০৫ বছরের পুজো। আমাদের পুরনো পুজো, ছোটো পুজো। আগের সরকার যে টাকা দিত, লাগত। কিন্তু অনেক পুজোরই লাগে না। আমাদের অনুদান চালু রাখলে উপকার হয়।’ হাতে আর কয়েকমাস, তারপরই বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব! তার আগে পুজো অনুদান নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী!

আরও পড়ুন: Bollywood News: ৭ বছরের জন্য জেলে যেতে বলেছিল আদালত, বলিউড ছেড়ে সেই নায়ক এখন কাপড়ের ব্যবসা করেই সংসার চালাচ্ছেন!

Source link



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.