FIFA World Cup 2026 : মাঝরাতে বিশ্বকাপের ফাইনাল, চাইলে ছুটি ঘোষণা করতে পারে স্কুল, বড় ঘোষণা রাজ্যের
কলকাতা, কৃষ্ণেন্দু অধিকারী : মধ্যরাতে বিশ্বকাপের ফাইনাল (FIFA World Cup 2026) উপলক্ষ্যে আজ রাত জাগবে বিশ্ব। পিছিয়ে নেই পশ্চিমবঙ্গ। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সরকারি উদ্য়োগে দেখানো হবে খেলা। এবার ফুটবল প্রেমীদের আবেগকে ধরে রাখতে বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। সব জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকদের বলা হয়েছে, সোমবার চাইলে ছুটি ঘোষণা করতে পারে স্কুলগুলি। স্কুল শিক্ষা দফতরের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই কথা বলা হয়েছে।
রাত সাড়ে ১২ থেকে শুরু হবে বিশ্ব ফুটবলের মহারণ
রাজ্য সরকারের এই নির্দেশ পাওয়ার পরই অনেক স্কুলই ইতিমধ্য়ে সোমবার ছুটি ঘোষণা করেছে। রবিবার রাত সাড়ে ১২ থেকে শুরু হবে বিশ্ব ফুটবলের মহারণ। যেখানে আর্জেন্টিনা বনাম স্পেনের যুদ্ধ উত্তেজনা বাড়াবে বিশ্ববাসীর। যেখানে আট থেকে আশি, আবেগে ভাসবে রাজ্য। রাজ্যবাসীর এই ভাবাবেগকে মান দিতেই ইতিমধ্যে বড় ঘোষণা করেছে সরকার।
বাংলাতেও বড় ঘোষণা
ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য বড় খবর শুনিয়েছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, জেলায় জেলায় বিশ্বকাপ ফুটবলের লাইভ টেলিকাস্ট করা হবে। এর জন্য জেলা প্রতি ১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ ও করা হয়েছে। অন্যদিকে, শহরের একাধিক বিগ স্ক্রিনে টিকিট কেটে দেখা যাবে বিশ্বকাপ। শহরের একাধিক পিভিআর এবং আইনক্সে রাত সাড়ে ১২টা থেকে লাইভ স্ক্রিমিং হবে ম্যাচের। তবে বিনামূল্যে নয়, দেখতে হবে টিকিট কেটে। অনলাইনেই কাটা যাচ্ছে এই টিকিট।
শহরের কোন কোন বিগ স্ক্রিনে টিকিট কেটে দেখা যাবে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল ?
পিভিআর অভনি কলকাতা
আইনক্স মেট্রো, জওহরলাল নেহরু রোড, কলকাতা
আইনক্স ফোরাম মল, এলগিন রোড, কলকাতা
আইনক্স কোয়েস্ট মল, কলকাতা
আইনক্স স্বভূমি মৌলানা আবুল কালাম আজাদ সরণী, কলকাতা
আইনক্স সাউথ সিটি মল কলকাতা
পিভিআর মানিস্কোয়্যার কলকাতা
আইনক্স সিটি সেন্টার, সল্টলেক কলকাতা
পিভিআর ডায়মন্ড প্লাজা, যশোর রোড, কলকাতা
আইনক্স সিটি সেন্টার ২, রাজারহাট কলকাতা
আইনক্স স্টার মল, মধ্যমগ্রাম, কলকাতা
কত দাম রাখা হয়েছে টিকিটের ?
যেহেতু মূলত আইনক্স বা পিভিআরের মতো প্রেক্ষাগৃহে টিকিট কেটে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে, ফলে টিকিটের দাম খুব সামান্য ও নয়। শহরের একাধিক প্রেক্ষাগৃহে সর্বনিম্ন টিকিটের দামই ২০০ ছুঁইছুঁই। সর্বোচ্চ টিকিটের মূল্য প্রায় ৭০০ টাকা, কিছু কিছু জায়গায় আবার তার থেকেও বেশি! তবে সিনেমা দেখার মতোই, যাবতীয় সুযোগসুবিধা পাওয়া যাবে। দুপুরের মধ্যেই অধিকাংশ হলের সিটই বুকিং হয়ে গিয়েছে।
